fbpx
কলকাতাহেডলাইন

যাদবপুরে পড়ুয়াদের দাবি মেনে সেমিস্টারের মূল্যায়ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা:   করোনার আবহে তালা বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্ধ পঠন-পাঠান। এই পরিস্থিতিতে কোনও কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা করানো সম্ভব নয়। তাই অন্যান্য সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মত এবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কেও বিকল্প পথে হাঁটতে হল। পড়ুয়াদের দাবি মেনে সেমিস্টার মূল্যায়ণের পদ্ধতিতে বদল আনল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রায় সাত ঘন্টা টানা অনলাইন বৈঠকের পর পরীক্ষা সংক্রান্ত বোর্ড ছাত্রদের দাবি মেনে নিল। আগের সিদ্ধান্ত মেনেই ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির চূড়ান্ত সিমেস্টারের মূল্যায়ন হবে ৭০%-৩০% পদ্ধতিতে। পূর্বে হোম অ্যাসাইনমেন্ট থেকে ৭০% নম্বর এবং সেমেস্টারগুলির মধ্যে যেটিতে সব থেকে বেশি নম্বর আছে সেটা থেকে ছাত্রদের মূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু উচ্চশিক্ষা দফতরের পরামর্শ-নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত বদল করা হলে প্রতিবাদ জানিয়ে স্মারক লিপি জমা দেয় ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র সংসদ। তার পরে ফের পুরনো পদ্ধতিকেই মান্যতা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার এই বৈঠক হয়।

প্রথম দিকে শিক্ষকদের আপত্তি থাকায় পড়ুয়াদের বৈঠকে সামিল করা হয়নি। পরে ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। রাতে বৈঠক শেষে সিদ্ধান্ত হয় ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির চূড়ান্ত সিমেস্টারের মূল্যায়ন হবে ৭০%-৩০% পদ্ধতিতে।
ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র সংসদের বক্তব্য, অনেক পড়ুয়া ইতিমধ্যেই হোম অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়ে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশ মানা অসম্ভব। এরফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারও ভঙ্গ হয়।

আরও পড়ুন: মহাকরণের ৬ নম্বর গেটের সামনে সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি করে আত্মহত্যা পুলিশকর্মীর

সূত্রের খবর, এ দিন কলা এবং বিজ্ঞান বিভাগের চূড়ান্ত সিমেস্টারে উচ্চশিক্ষা দফতরের পরামর্শ-নির্দেশিকা মেনে মূল্যায়ন হবে ঠিক হলেও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ফের প্রশ্ন দেখা দেয়। ওই বিভাগে ২০% নম্বর অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন থেকে নেওয়ার কথা। প্রাথমিক ভাবে সেটি মেনে নিয়েও বলা হয়েছে, প্রয়োজনে ওই ২০% নেওয়া হোক আগের সিমেস্টারের ফলের ভিত্তিতে। সাপ্লিমেন্টারি হয়েছেন যে পড়ুয়ারা, তাঁদের নম্বর দেওয়া নিয়েও এ দিন সিদ্ধান্ত হয়।

Related Articles

Back to top button
Close