fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনার থাবা রাখীতেও, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

কৃষ্ণা দাস, শিলিগুড়ি: করোনা ভাইরাসের লাগামছাড়া দৌড়াত্ম্যের কালো ছায়া এবার  রাখির বাজারেও! বিপাকে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা।আগামী ৩ আগষ্ট ভারতবর্ষের অন্যতম সৌভ্রাতৃত্বের উৎসব রাখী উৎসব। প্রতিবছর এই দিনটিকে ঘিরে গোটা দেশের পাশাপাশি শিলিগুড়িতেও উন্মাদনা থাকে চরমে। উৎসবের নির্দিষ্ট দিনের আগেই বাজারময় রাখিতে রাখিতে ভর্তি থাকে। ক্রেতা বিক্রেতার কোলাহলে বাজার তখন গম গম করে। কিন্তু চলতি বছরে বাজারগুলি বদলে গেছে এই করোনা ভাইরাসের দাপটে।

একপ্রকার এই ভাইরাসের সংক্রমণের ভয়েই গোটা দেশেই ধাপে ধাপে চলছে লকডাউন। বাজার, হাট,শপিং মলগুলি বন্ধ রাখতে হচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় প্রায় জনমানবশুন্য রাস্তাঘাট। ফলে, উৎসব তার নির্দিষ্ট দিনে পদার্পন করলেও, উৎসব উৎযাপনের সেই মানুষ গুলি এখন গৃহবন্দি। তাই উৎসবের উন্মাদনাও নেই আর কেনাকাটার বহরও নেই। ফলে, রাখীর বাজার স্বাভাবিকভাবেই মন্দা। এদিকে, গোটা রাজ্যের পাশাপাশি শহর শিলিগুড়িকে করোনার প্রকোপ থেকে বাগে আনতে শহরে দুই ধাপের ১৪ দিনের লকডাউন কাটিয়ে ধীরে ধীরে খুলেছে শিলিগুড়ির সমস্ত বাজার, তবে করোনা আবহে  রাখির বাজার খাঁ খাঁ করছে।

লকডাউন উঠে গেলেও তেমন ক্রেতা না থাকায় দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ রাখী বিক্রেতাদের কপালে। ব্যবসায়ীদের দাবি প্রত্যেক বছর ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের উৎসব রাখি কিনতে উপচে পড়তো ভিড়। তবে এবারের রাখিতে ক্রেতার সংখ্যা হাতেগোনা। পাশাপাশি প্রত্যেক বছর যে পরিমাণ রাখী ক্রয় করতো অন্যান্য ব্যবসয়ীরা তাও অনেক শতাংশ হ্রাস পড়েছে এবছরের বাজারে। তাই রাখি ব্যবসা পুরোপুরি মন্দাবস্তায়। এখন দেখার কবে এই ভাইরাস বাগে আসে, আর  উৎসব গুলিও ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এসে নিজের মতো করে উৎযাপিত হয়!

Related Articles

Back to top button
Close