fbpx
কলকাতাহেডলাইন

তৃণমূলের সবাই দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছে, দিদি ১০ শতাংশ বলেন কি করে: দিলীপ ঘোষ

শরণানন্দ দাস, কলকাতা: আমফানে দুর্নীতি নিয়ে সরগরম রাজ্য। বুধবার এই ইস্যুতেই বাকযুদ্ধে মাতলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী এদিন কলকাতা পুলিশের একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন,’ বাম আমলে ৯০ শতাংশ দুর্নীতি হতো, আমাদের আমলে ১০ শতাংশ হয়েছে। এ নিয়ে এতো হৈচৈয়ের কি হয়েছে।’ পাল্টা বিজেপি রাজ‌্যসভাপতি বলেছেন, ‘তৃণমূল দলটা পুরোটাই দুর্নীতিতে ডুবে। উনি ১০ শতাংশ বলেন কি করে?’ এদিন কলকাতা পুলিশের ‘ সেফ ড্রাইভ, সেভ লাইফ’ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া চলছে। বাম জমানায় ১০০ শতাংশ দুর্নীতি হতো, অন্য রাজ্যে ৯০ শতাংশ, আমাদের সেটা ১০ শতাংশ। তাছাড়া ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে। বিরোধীরা সেটাই ইস্যু করে শোরগোল করছে।’

এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, ‘ উনি তো গোড়াতে মানতেই চাননি দুর্নীতি। সবই ওঁর কাছে ছোট্ট ঘটনা। কিন্তু তৃণমূলের পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে সাংসদ সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত। আম্ফানের ত্রাণের টাকা লুঠ করেছে তৃণমূলের নেতারা। নন্দীগ্রামে ২০০ জনের তালিকা এসেছে যারা অবৈধ ভাবে টাকা নিয়েছিল। আমি বলছি সংখ্যাটা দুই থেকে আড়াই হাজার হবে। নামখানায় একটা ব্লক থেকে ২০ লক্ষ টাকা ফেরত এসেছে। আরও আসছে। ‘

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর চুরির সংজ্ঞা নিয়ে তোপ সোমেনের

বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, ‘ এই দুর্নীতির সবটাই জানেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অনুপ্রেরণাতেই এ রাজ্যে সবকিছু হয়। অথচ বোঝানোর চেষ্টা হচ্ছে দলের কিছু লোক দুর্নীতি করেছে, বাকি সব ঠিকই আছে। মুখ্যমন্ত্রীও সাফাই দিচ্ছেন, তাড়াহুড়োয় ভুল হয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন দুর্নীতিগ্রস্তদের কেন শোকজ, সাসপেন্ড করে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে? কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না?’

এদিকে নারদকাণ্ডে জড়িত তৃণমূলের একাধিক নেতা মন্ত্রীদের কাছে গত সাত বছরের হিসাব চেয়ে পাঠিয়েছে ইডি। তার পরের দিন আম্ফানের দুর্নীতিতে দলীয় নেতাদের জড়িয়ে থাকার বিষয় উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী আবার নিজের সততা প্রমাণ করার চেষ্টা করলেন । এমনটাই মনে করছেন দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে তাঁর টিপ্পনী, ‘ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসলে নজর ঘোরাবার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মানুষ চোখ বুজে নেই।’

 

 

Related Articles

Back to top button
Close