fbpx
অফবিটপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিবাহ অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে দুঃস্থদের হাতে তুলে দিলেন শিক্ষার সামগ্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি , পূর্ব মেদিনীপুর: করোনা আবহের জেরে চারিদিকে আতঙ্কের পরিবেশ। একসঙ্গে বেশী মানুষের জমায়েতে উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। তবে এই আবহের মধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুরের আড়গোয়ালের ছোট উদয়পুরের বাসিন্দা প্রসূন আচার্য্য বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। প্রসূনবাবু পাহাড়পুর জ্ঞানেন্দ্র ঝাড়েশ্বর বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার প্রসূনবাবু বিবাহ বন্ধনের আবদ্ধ হন। বুধবার নিজের বাসভবনে বধুবরন ও প্রীতিভোজ আয়োজন করেন এই শিক্ষক। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে বেশি কাউকে ডাকা সম্ভব হয়ে উঠেনি। করোনা আবহে আশানুরূপ তেমন আয়োজন করতে পারেনি ওই আচার্য্য পরিবার। তাই সেই আক্ষেপ ঢাকতে অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করল শিক্ষক পরিবার।

আরও পড়ুন: ‘স্বদেশীর মূল অর্থ হল, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পণ্যসামগ্রীকে অগ্রাধিকার দেওয়া’, বার্তা ভাগবতের

এদিন বধূবরণ ও প্রীতিভোজের অনুষ্ঠানের কিছুটা খরচ বাঁচিয়ে এলাকার প্রায় শতাধিক দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের রসায়ন বিভাগের বই,ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ তুলে দিলেন নব বিবাহিত  শিক্ষক ও নববধু স্ত্রী। পড়ুয়াদের বই ও শিক্ষার সামগ্রী পাশাপাশি একটি করে লেবু গাছের চারাও তুলে দেন। এই শিক্ষকের বাবা প্রণবেশ আচার্য্য, মা সবিতা দেবী বলেন, ছেলের এই মহতী উদ্যোগে সামিল হয়ে খুব ভালো লাগছে। বোন পৌষালি আচার্য্য বলেন, দাদার এই মহতী প্রয়াস প্রশংসনীয়। দাদার নতুন জীবনের সূচনায় বহু মানুষের উপকার হয়েছে দেখে ভালো লাগছে।

নিজেদের বিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষকের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া ছাত্র ছাত্রীদের কথায় আমারা নববধূর প্রীতিভোজে আমন্ত্রিত হয়ে যোগদান করতে এসে শিক্ষা সামগ্রী নিয়ে যাবো কখনো ভাবিনি। আমার খুবই আনন্দিত। শিক্ষকের এই ধরনের মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করার করার জন্য। শিক্ষক খুবই মহান মানুষ।

নববধূর রুমা বটব্যাল (আচার্য্য) বলেন বিয়ে ঠিক পরই স্বামী জানান, অনুষ্ঠানে এলাকা ছাএছাএীদের বই বিতরন করা হবে। এই প্রস্তাবে আমি রাজী হয়ে যাই।  এই মহতী উদ্যোগ আগামী দিনে শিক্ষার আরো পথ দেখাবে বলে মনে হয়।

Related Articles

Back to top button
Close