fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফুলহার নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞ দল

মিল্টন পাল, মালদা: বর্ষা মরশুমের শুরুতেই মালদা জেলার ফুলহার গঙ্গা নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। মালদার মানিকচক, ভুতনি এবং রতুয়া এলাকার গঙ্গা ও ফুলহার নদীর ভাঙ্গন রোধের কাজের তদারকি করলেন সেচ দপ্তরের বিশেষজ্ঞ দল। ভাঙ্গন ঠেকাতেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর। সেই কাজের তদারকি করলেন সেচ দপ্তরের তিন জনের একটি প্রতিনিধি দল। এদিনের সেচ দপ্তরের কাজের পরিদর্শন করতে এসেছিলেন দপ্তরের নির্বাহী বাস্তুকার সুবীর রাহা, উপ অধিকর্তা অমিও বেরা এবং সুপারিনটেন্ড ইঞ্জিনিয়ার সুমন্ত চ্যাটার্জী।

বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিনিধিরা রতুয়া থানার সূর্যাপুর, মানিকচক থানার শংকরীটোলা এবং ভুতনি থানার হীরানন্দপুরের ভাঙ্গন রোধের কাজ পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের কোথায় কি ধরনের ত্রুটি – বিচ্যুতি রয়েছে সেগুলো নিয়েও তদারকি করেন বিশেষজ্ঞ দলের প্রতিনিধিরা। সেচ দপ্তরের মালদার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রণব কুমার সামন্ত জানিয়েছেন, যেসব এলাকায় ভাঙ্গন হয়েছে , সেখানেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মেরামতির কাজ চলছে । ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজের নানান খুঁটিনাটি বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেছেন বিশেষজ্ঞ দলের আধিকারিকেরা। কাজের মান দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রতুয়া ১ ব্লকের সূর্যাপুর এলাকায় ফুলহার নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ খতিয়ে দেখেন বিশেষজ্ঞ দলের আধিকারিকেরা। এরপর মানিকচক ব্লকের শংকরীটোলা এলাকার ফুলহার নদীর ভাঙ্গন মেরামতির কাজ তদারকি করেন ওই বিশেষজ্ঞ দলের অফিসারেরা। পাশাপাশি মানিকচক ব্লকের অন্তর্গত ভুতনি থানার হীরানন্দপুর এলাকার নীলকান্তটোলায় গঙ্গা নদীর ভাঙ্গন মেরামতির খতিয়ে দেখেন তদারকিতে ওই কর্তরা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের সাথেও কাজের মান নিয়েও কথা বলেন ওই প্রতিনিধি দলটি । তবে সমস্ত এলাকাতেই যে ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ ঠিকভাবে করা হচ্ছে, তা অবশ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পরিদর্শনে আসা বিশেষজ্ঞ দলের কর্তারা। ওই বিশেষজ্ঞ দলের এক কর্তা জানিয়েছেন, কোথাও পায়ে হেঁটে, আবার কোথাও লঞ্চে করে নদীর ভাঙ্গন মেরামতির কাজের তদারকি করা হয়েছে। মালদায় এইসব এলাকার ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেচ দপ্তর ভালোভাবে কাজ করছে।

সেচ দপ্তরের মালদার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রণব কুমার সামন্ত বলেন, বিশেষজ্ঞ দল ফুলহার এবং গঙ্গা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজের তদারকি করেছেন। বর্ষার মরশুমে এলাকার বাঁধগুলি যাতে অক্ষত থাকে, সেই দিকেই বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে ।

Related Articles

Back to top button
Close