fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধ ঘোষণার পরেই রাজধানী কিয়েভসহ অন্যান্য শহরে বিস্ফোরণ

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্কঃ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম শানিয়ে চলেছে রাশিয়া। আজ ভোরেই সামরিক অভিযানের কথা ঘোষণা করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এদিন তিনি ইউক্রেনকে আত্মসমর্পণের কথাও বলেন। এর পরপরই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভসহ অন্যান্য শহরগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে খবর,  তারা ইউক্রেনের ১১টি বিমানঘাঁটিসহ ৭০টিরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগরীয় বন্দর নগরী ওডেসার কাছে একটি সামরিক ঘাঁটিতে বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর। ওডেসার আঞ্চলিক প্রশাসন এক  বিবৃতিতে বলেছে, ‌’১৮ জন মারা গেছেন। এই মুহূর্তে আমরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছি। আজ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর এটাই সবচেয়ে বড় একক হামলা

আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা বলেছেন, এই যুদ্ধ বিশ্বের জন্য ‌’উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ঝুঁকি’ তৈরি করেছে। কারণ ইতিমধ্যেই শেয়ার বাজারে ধস। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শোল্জ বলেছেন, ইউক্রেন সংঘাতকে ‘অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলিতে ছড়িয়ে পড়া’ বন্ধ করতে হবে

এদিকে পুতিনের বক্তব্য, রাশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউক্রেন আক্রমণ করা ছাড়া মস্কোর আর কোনো উপায় নেই।  ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা ব্যাপক তৎপরতা শুরু করলেও এই যুদ্ধের জন্য জো বাইডেনকে দোষারোপ করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্র-সমর্থকেরা। তাঁরা বলেছেন, বাইডেন প্রশাসনের একাধিক নীতিগত ভুলই রাশিয়াকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ বলেছেন, ইউক্রেনে জোটের পক্ষ থেকে সেনা পাঠানোর কোনো ‘পরিকল্পনা’ নেই। মস্কো ইউক্রেনের চারপাশে সৈন্য মোতায়েনের পর থেকেই বলে আসছে তারা ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দিলেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে না

Related Articles

Back to top button
Close