fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বিদ্যাধরীর নদীর জোয়ারের জল ঢুকে চাষের ব‍্যাপক ক্ষয়ক্ষতি 

শ‍্যাম বিশ্বাস, উওর ২৪ পরগনা: বিদ্যাধরীর নদী থেকে জোয়ারের নোনা জল ঢুকে চাষবাসের ব‍্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। পাশাপাশি কাঁচা ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁ ব্লকের চৈতল অঞ্চলের ঘটনা। একদিকে যখন করোনাভাইরাস এর জেরে লকডাউন চলছে। সেখানে কাজ হারিয়ে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে, রোজগার কমে গেছে গ্রামীণ এলাকায়। কিছু মানুষ চাষবাসের উপরে নির্ভরশীল আর সেই চাষবাসের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখছেন এলাকাবাসী। বিদ্যাধরী খালের জোয়ার ভাটার জল দীর্ঘদিন ধরে নেড়ুলি, সরদারপাড়া, গাজিপাড়া, মণ্ডলপাড়া, গোলাঘাটা, আবাদ ভেটকিমারি সহ কয়েকটি গ্রামে ২০০ বিঘার ও বেশি জমির চাষবাস রীতিমত বন্ধের মুখে, এমনকি কিছু কাঁচা বাড়ি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আয়লা এবং বুলবুল ঝড়ের ক্ষত এখনও সামলে উঠতে পারেননি। আবার বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়েছে চৈতল অঞ্চলের বিদ্যাধরী নদী লাগোয়া বেশ কয়েকটি গ্রাম।

আরও পড়ুন: করোনা সংক্রমিত অবস্থায় রাজ্যের প্রথম শীর্ষ স্বাস্থ্যকর্তার মৃত্যু, সংক্রামিত স্ত্রীও

গ্রামবাসীদের অভিযোগ, মেছো ভেড়ির মাছ চাষের সুবিধা দেয়ার জন্য এই অতিরিক্ত জোয়ার দেওয়া হয় এবং সেই জলে মাছ চাষ করেন এলাকার ফিশারি ব্যবসায়ীরা। সেখানেই মাথায় হাত পড়েছে শস্য চাষীদের। গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন মেছো ভেড়ির মালিকদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে এই অতিরিক্ত জোয়ারের জল ঢোকায় এলাকারই সুইচগেট পরিচালন কমিটি এই ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সরকার যদি তাদের পাশে না দাঁড়ায় তাদের পক্ষে চাষ করা সম্ভব নয়। একদিকে যখন সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে সাধারণ মানুষের। যেমন গ্রামীণ এলাকায় চাষ করে চাষীদের জীবিকা নির্বাহ করেন। অন্যদিকে সেই চাষের মাল খাদ্য সামগ্রী হিসাবে বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি করা হয় আর তাদেরই কোন সুরক্ষা নেই। চাষবাসের ক্ষয়ক্ষতি দীর্ঘদিন ধরে সরকার কেন তাদের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে না, উঠছে প্রশ্ন বিদ‍্যাধরী থেকে নেড়ুলি বাজারের পাশে বিদ্যাধরী খাল বয়ে গেছে, আর একদিকে যেমন মৎস্য চাষে সুবিধা হয় জোয়ারের জল দিয়ে। অন‍্যদিকে জোয়ারের নোনা জলের কারণে চাষাবাদ নষ্ট হচ্ছে এবং বেশ কয়েকটি গ্রাম অকালে প্লাবিত হয়েছে। মিনাখার বিডিও শেখ কামরুল ইসলাম কে বিষয়টি জানানো হয়েছে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close