fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

ভুয়ো ঠিকানা, বাড়ছে করোনা, কোভিড পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক আধার বা ভোটার কার্ড

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোরোনা পরীক্ষায় বাধ্যতা মুলক করা হল পরিচয়পত্র। এক্ষেত্রে অগ্রধিকার দেওয়া হবে আধার বা ভোটার কার্ড। জানালেন পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য দেবব্রত মজুমদার। সম্প্রতি পুরসভার এক রিপোর্টে জানা গিয়েছে নিজেদের পরিচয় লুকিয়ে অবাধে চলছে করোনা পরীক্ষা। যার ফলে সত্যিকারের করোনা রোগীদের খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্চে না। তাই কোরোনা সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে।
মূলত যে ঠিকানা দিয়ে অ্যান্টিজেন বা আরটিপিসিআর পরীক্ষা করা হচ্ছে বা হোম আইসোলেশনে থাকছেন বলে সরকারি তথ্যে উল্লেখ করছেন সেখানে অনেক রোগীকে পাওয়া যাচ্ছে না। কোভিড পজিটিভ হওয়ার পরে রোগীর বাড়ি বা ফ্ল্যাটে স্যানিটাইজ করতে গিয়েও উল্লেখিত ঠিকানায় পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ সেই রোগী তখন অন্যত্র থাকছেন ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিস্তর মেলামেশা করে ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বস্তুত এই কারণে এবার কলকাতা পুরসভার সমস্ত করোনা পরীক্ষা সেন্টারেই আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুরসভার অন্যতম প্রশাসক দেবব্রত মজুমদার। মহানগরে সংক্রমণ রুখতে উপসর্গহীন ব্যক্তিদের পুরসভার তরফে ‘ম্যান-মার্কিং’ চালু  করতেই ভুয়ো ঠিকানার বিষয়টি ধরা পড়েছে বলে স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি।
সরকারি হাসপাতাল বা পুরসভার সেন্টারে আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড চাইলেও অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালে শুধু নাম ঠিকানা নিয়েই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পুরসভা অ্যান্টিজেন টেস্ট করলে এক ঘণ্টার মধ্যে যেমন রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে তেমন পরদিনই সরকারি দপ্তরে পজিটিভ ব্যক্তির নাম ঠিকানা চলে যাচ্ছে। কিন্তু বেসরকারি ক্ষেত্রে পরীক্ষা করালে সেখান থেকে নাম আসতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিন-চারদিন লেগে যাচ্ছে।
এর ফলে সংক্রমণ অনেকাংশে ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অনেকে আবার করোনা ধরা পড়লেই নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র  সরে পড়ছেন। কিন্তু সেই ঠিকানা পুরসভা বা স্বাস্থ্যদফতর কাউকেই জানাচ্ছেন না। তাতে করোনায় সংক্রমিত ব্যক্তিকে নজরবন্দি করা বা চিকিৎসা পরিষেবারও আওতায় নিয়ে আসা খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। যদিও পুরসভার তরফে প্রতিটি সংক্রমিত ব্যক্তির ঠিকানা ও আশেপাশের বাড়িতে রোগ ধরার পরেই জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close