fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

ফরাক্কায় কুলি দিয়ার গ্রামে ভাঙন ১০টি বাড়ি তলিয়ে গেল গঙ্গা গর্ভে

কৌশিক অধিকারী, ফরাক্কা: ফের ভাঙনের কবলে ফরাক্কা ব্লক। মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কাতে গঙ্গা ভাঙন নতুন কিছু নয়। গঙ্গার জল স্তর বাড়ার ফলে বেশ কয়েক দিন ধরেই ভাঙনের মুখে কুলিদিয়ার গ্রামের বাসিন্দারা। বেশ কিছু দিন ধরেই ফরাক্কা হোসেনপুর ভাঙন চলছে গত এক সপ্তাহ ধরে, হোসেনপুর চরের পাশাপাশি এবার ভাঙনের মুখে কুলি দিয়ার গ্রাম।

গ্রামে ভাঙন শুরু হয়েছে রবিবার সকাল সাতটা পর থেকে। ভাঙনের কবলে রবিবার প্রায় ১০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। প্রায় ১০টি বাড়ি গঙ্গা গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে, পাশাপাশি তলিয়ে গিয়েছে একটি প্রাচীন মন্দির। এক সপ্তাহ আগে একটি দুশো মিটারের ঢালাই রাস্তা সেটিও গঙ্গা গিলে নিয়েছে। পাশাপাশি একটি উপ স্বাস্থকেন্দ্র নদীর গাঁ ঘেঁষে নদীর বক্ষে ঝুলছে বর্তমানে। ভাঙনের জেরে ফরাক্কা ব্যারেজের দিকে আঙুল তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। কয়েক দিনের ভাঙনে মোট ১৮০টি পরিবার তলিয়ে গিয়েছে গঙ্গা ভাঙনে।

আরও পড়ুন:বাড়ছে উদ্বেগ, গত ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্ত ৩০৩ জন পুলিশকর্মী

এলাকার বাসিন্দারা জানান, রবিবার সকাল সাতটা পর থেকে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে এবং গঙ্গার জল ঢুকে গ্রামের একাংশ প্লাবিত। প্রায় ১০টি ঘর ভেঙে গেছে ইতিমধ্যেই এবং ভাঙন জেরে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় না পেয়ে মাঠে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। গ্রামের একটি মাত্র ত্রাণ শিবির ছিল সেটি তলিয়ে যাওয়া সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। গঙ্গার জল বৃদ্ধি পাওয়া ফলে জলস্তর না কমলে ভাঙনের গ্রাসে চলে যাবে সমগ্র গ্রাম।

রবিবার সকাল থেকেই ভাঙনের জেরে বাড়ি সহ একটি প্রাচীন মন্দির তলিয়ে গিয়েছে। যার জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।ভিটেহারা সাধারণ মানুষ এখন পুর্নবাসন জন্য সরকারের দাবি রেখেছেন। খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারের সদস্যরা।

ফরাক্কা বিডিও রাজর্ষি চক্রবর্তী জানান, কুলি দিয়ার গ্রামে ভাঙন শুরু হয়েছে ও নদীর পারের কিছু মানুষ বাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছে এখানে এসে ত্রিপল তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১০টি বাড়ি, গ্রামের রাস্তা ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রাচীন মন্দির তলিয়ে গিয়েছে, ভাঙন কবলিত সাধারণ মানুষদের  অস্থায়ী ভাবে ক্যাম্পে রাখা হয়েছে এবং অন্য কোথাও যাতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তার ব্যাবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রতি বছর এই ভাঙনের মধ্যে পড়ে সাধারণ মানুষ। কয়েক দিন ধরেই এই ভাঙনের জেরে দুঃশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

Related Articles

Back to top button
Close