fbpx
দেশহেডলাইন

রাত কাটিয়ে সকালেও সংসদের বাইরেই অবস্থানে বরখাস্ত আট সাংসদ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষি বিল নিয়ে বিক্ষোভের পারদ চড়ছে। বিরোধীরা এই বিলের প্রতিবাদে রীতিমতো একজোট হয়ে গিয়েছেন।শৃঙ্ঘলাভঙ্গের অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ৮ সাংসদ রাত কাটালেন সংসদ ভবন প্রাঙ্গণের লনে। মঙ্গলবার ভোরে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান তাঁদের চা খাওয়ার প্রস্তাব দিলে তা ফিরিয়ে দেন বিক্ষোভরত সাংসদরা। তাঁরা এই ‘চা-রাজনীতি’-কে কৃষক বিরোধী বলে কটাক্ষ করেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের ডেরেক ওব্রায়ন, আম আদমি পার্টির সঞ্জয় সিংহ, কংগ্রেসের রাজীব সাতভ এবং সিপিএমের কে কে রাগেশ সহ ওই সদস্যরা রাতভর সংসদ প্রাঙ্গনের সামনে থেকে নিজেদের ধর্না চালিয়ে যান। গান্ধী মূর্তির কাছেই চলেছে তাঁদের ধর্ণা। দেই সাংসদেরা মূলত দুটি দাবি রেখেছেন, প্রথম দাবি কৃষক বিরোধী বিল প্রত্যাহার করা উচিত। দ্বিতীয় দাবিটি হচ্ছে, তাদের ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হোক।

সাসপেনশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে কক্ষ ছাড়তে অস্বীকার করেন আট সাংসদই৷ চেয়ারম্যানের নির্দেশ উপেক্ষা করে দীর্ঘক্ষণ তাঁরা সভাকক্ষে বসে থাকেন৷ তাঁদের সমর্থন জানাতে থাকেন বাকি বিরোধী সাংসদরা৷ বিরোধী বিক্ষোভে অধিবেশন সারা দিনের মতো মুলতুবি হয়ে যাওয়ার পরে সংসদ চত্বরে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসেন ওই আট সাংসদ।

তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে প্রথমে টুইট করেন, ‘কৃষকদের স্বার্থরক্ষার লড়াই করতে গিয়ে আট সাংসদের সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক এবং সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রতিফলন৷ গণতান্ত্রিক বিধি ও নীতিকে সম্মান করে না এরা৷ আমরা এই ফ্যাসিবাদী সরকারের সামনে মাথা নোয়াব না। সংসদে এবং রাস্তায় নেমে লড়াই চালিয়ে যাবো৷’ এর পরে নবান্নে বিরোধিতার সুর আরও চড়ান মমতা। আন্দোলনের ডাক দিয়ে তিনি বলেন, ‘হিটলারি কায়দায় দেশ চালাচ্ছে মোদির সরকার।’ বিকেলে ডেরেককে ফোন করেও সাসপেন্ডেড সাংসদের পাশে থাকার বার্তা দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷

 আরও পড়ুন: এবার শীঘ্রই রাফাল যুদ্ধবিমান চালাবেন এই ভারতীয় মহিলা পাইলট

অবশ্য এর পর বিরোধীদের একহাত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী রবিশংকর প্রসাদ। তিনি বলেন যাঁরা সংসদের সম্মান রক্ষা করতে জানেন না, তাঁদের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলার কোনও নৈতিক অধিকার নেই। যেভাবে বিরোধীরা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেছেন, তা রীতিমতো লজ্জার। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই ধরণের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, যদি গণতন্ত্র রক্ষা নিয়ে এতটাই সতর্ক থাকা হয়, তবে কেউ সংসদ ভবনের অপমান করেন না।

Related Articles

Back to top button
Close