fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কাটোয়ায় ঋনের দায়ে আত্মঘাতী চাষি

নিজস্ব সংবাদদাতা,কাটোয়া: খুব সামান্য জমিজমা রয়েছে। তাতে ঠিকমত সংসার খরচ চলত না। তাই চাষবাসের পাশাপাশি  জনমজুরির কাজও  করতে হত। এদিকে ব্যাঙ্কে বেশ কিছু ঋনও হয়ে গিয়েছিল। সুদে আসলে সেই টাকা শোধ করতে হচ্ছিল। পাশাপাশি দীর্ঘ লকডাউনের কারনে তেমন কাজকর্ম না থাকায় তীব্র অভাবের মধ্যে দিন কাটছিল। ফলে পরিবারে এনিয়ে অশান্তি লেগেই থাকত বলে জানা গেছে। তার জেরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন কাটোয়া থানার পলসোনা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় ক্ষুদ্র চাষি  নীলমাধব ঘোষ(৩৫) নামে এক ব্যক্তি।  মঙ্গলবার সকালে ঘর থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে, পলসোনা গ্রামের বাসিন্দা নীলমাধব ঘোষ চাষবাসের পাশাপাশি জনমজুরির কাজও করতেন। তাঁর  বাড়িতে রয়েছেন স্ত্রী বুলাদেবী ও দুই নাবালক সন্তান।    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে,  একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে গোষ্ঠীর সঙ্গে  ঋণ নিয়েছিলেন নীলমাধববাবু। সেজন্য তাঁকে প্রতি সপ্তাহে ১০৫০ টাকা পরিশোধ করতে হত। এদিকে  লকডাউনে অনেকদিন কাজ ছিল না। ফলে ব্যাঙ্কের কয়েকটি কিস্তি বাকি পড়ে যায়। তাই কিস্তি মেটানোর জন্য বাড়িতে তাগাদা আসছিল।

মৃতের ভাই অশোক ঘোষ বলেন, একদিকে বাড়িতে অভাব ও তার ওপর ব্যাঙ্কের কিস্তি মেটানোর তাগাদার কারনে দাদা খুব চাপে ছিলেন।” স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়িতে অভাব আর ব্যাঙ্কের কিস্তি মেটানোর তাগাদার কারনে  নীলমাধববাবুর  বাড়িতে প্রায়ই অশান্তি হত । সোমবারও  নীলমাধববাবুর সঙ্গে তার স্ত্রীর একপ্রস্ত অশান্তি হয় । তারপর  এদিন বাড়ির একটা ঘরে নীলমাধববাবুকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পরে খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করার পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়  । যদিও পরিবারের দাবি, ঋণের বোঝার কারনেই নীলমাধববাবু আত্মঘাতী হয়েছেন।।

Related Articles

Back to top button
Close