fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দুর্গাপুর ব্যারেজের গেট ভেঙে যাওয়ায় সেচের জল সংকটের আশঙ্কায় কৃষকেরা

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, বর্ধমান: গেট ভেঙে যাওয়ায় বেরিয়ে গিয়েছে দুর্গাপুর ব্যারেজের জল। যে টুকু জল অবশিষ্ট ছিল তাও ৩১ নম্বর গেট মেরামতির জন্য বের করে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুর্গাপুরে পানীয় জলের মত রবি ও বোরো চাষে সেচের জলেরও ঘাটতি দেখা দেবে না তো ! এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে খোদ রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান ও হুগলির চাষি মহলে। যদিও সেচের জলের ঘাটতি হবে না বলে আশ্বস্ত করছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন ও সেচ দফতর।

রবি ও বোরো চাষের জন্য দুর্গাপুর ব্যারেজের থেকে যে জল ছাড়া হয় তা ১২টি খালের মাধ্যমে পূর্ব বর্ধমান, হুগলিতে পৌঁছায়। চাষিদের বক্তব্য ২০১৭ সালের ২৫ নভেম্বর দুর্গাপুর ব্যারাজের একটি গেট একইরকম ভেঙে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল।ব্যারেজের গেট ভেঙে যাওয়ায় সেবারও সব জল বেরিয়ে গিয়েছিল। সেই কারণে ওই বছর রবি ও বোরো চাষের জল সেভাবে মেলেনি। চাষিরা এমনটা দাবি করলেও সেচ দফতরের কর্তারা তার সঙ্গে একমত হননি। তাঁদের বক্তব্য ২০১৭ সালে বৃষ্টিপাত পরিমাণ কম হয়েছিল। সেই কারণে সেই বছর রবি ও বোরো চাষে জল কম পরিমাণে দেওয়া হয়েছিল।

আরও পড়ুন:উপসর্গ থাকলেই রোগীদের সেফ হোমে চলে আসার পরামর্শ ফিরহাদের

কৃষি দফতর সূত্রে খবর পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১ লক্ষ ৭২ হাজার হেক্টরের মত জমিতে বোরো চাষ হয়। সেচ দফতর সূত্রে খবর , বোরো চাষের জন্য মেমারি, ভাতার, জামালপুর , বর্ধমান ,গলসি ও আউসগ্রাম সহ জেলার ১১টি ব্লকে জল দেওয়া হয়। সেচ খালের মাধ্যমে এক তৃতীয়াংশ জমিতে সেই জল পৌঁছায়। গত বছর ৩৬,৩০০ হেক্টর জমির জন্যে জল ছেড়েছিল সেচ দফতর। আর ২০১৭ সালে ১২ হাজার হেক্টর জমির জন্যে জল মিলেছিল। যদিও চাষিরা জানিয়েছেন ,“ ব্যারেজের গেট ভেঙে যাওয়ায় ২০১৭ সালে সেচ খাল উপচে জল জমিতে চলে আসে। তার জন্য পাকা আমন ধান নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পরে বোরোতে আর জল পাওয়া যায়নি। এ বারও একই রকম পরিস্থিতি তৈরি হবে কিনা সেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে জেলার চাষি মহলে। সেচ দফতরের দামোদর ইরিগেশন ক্যানালের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ভাস্করসূর্য মণ্ডল আশ্বস্ত করে বলেন , ‘চাষিদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। সেচের জন্য মাইথন ও পাঞ্চেতের জল ছাড়া হবে। এখন সেখানে যথেষ্ট পরিমাণে জল মজুত রয়েছে’।

Related Articles

Back to top button
Close