fbpx
পশ্চিমবঙ্গ

আমফান তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত দিশেহারা পূর্ব মেদিনীপুরের বাদাম চাষীরা

ভীষ্মদেব দাশ, খেজুরি: আমফান তান্ডবে জেলাজুড়ে বিপর্যস্ত হয়েছে সব্জি, বাদাম চাষ। ক্ষেতের পর ক্ষেত এখন ধুধু করছে আমফানের তান্ডবে। সব্জি, বাদাম আমফানের তান্ডবে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কপালে হাত পড়েছে সব্জি চাষিদের। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পটাশপুর, পাঁশকুড়া, খেজুরি, নন্দীগ্রাম, কাঁথি এলাকার চাষিরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কাঁসাই নদীর তীর বরাবর পাঁশকুড়া ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক সব্জি চাষ হয়। নদীর দুই পাড় জুড়ে শুধু সবজি আর ফুলের বাগান। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম, পটাশপুর, খেজুরি, কাঁথিতেও পটল, উচ্ছ্বে, ঝিঙে, বেগুন, লঙ্কা সহ পান চাষ, বাদাম চাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।নদীরপাড়ে পাঁশকুড়ায় বিঘের পর বিঘে সব্জি চাষ প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন বাড়ায় তেমনি ফসল উৎপাদনও। সব্জি ও ফুল বাগান দেখতে দুর-দুরান্ত থেকে মানুষ আসতেন পাঁশকুড়ায়।

আমফান কেড়ে নিয়েছে সেই সুখ। পাঁশকুড়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি আর ঝড়ে তছনছ হয়ে গিয়েছে সবজি বাগান। পাঁশকুড়া ব্লকের গোবিন্দ নগর ,মাইসোর ,মহাঁপুর, পাটনা, নস্করদিঘী, মনসাপুকুর, বাকুলদা, হাউর, সহ বিভিন্ন গ্রামে প্রচুর পরিমানে আলু, বেগুন, পটল, শসা, উচ্ছে, কুঁদলি , কুমড়ো সহ বিভিন্ন সব্জি উৎপাদন হত। সাথে প্রচুর পরিমাণে বাদাম চাষ হত। খেজুরি, কাঁথি এলাকার বিঘের পর বিঘে জমিজুড়ে বাদাম চাষ হত। কিন্তু আমফান তাণ্ডবে নিমেষে সবশেষ হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত পড়েছে সব চাষিদের। একমাস পরেই শুরু হত গাছ থেকে বাদাম পাড়ার কাজ। কিন্তু আমফানের তান্ডবে এখন জলের তলায় বাদাম। বেশি সুদে টাকা ধার নিয়ে সবজি লাগিয়েছিলেন অনেক চাষি। কিন্তু সবজি নষ্ট হয়ে যাওয়াতে কি করে সেই টাকা শোধ করবে দিশেহারা চাষিরা।

Related Articles

Back to top button
Close