fbpx
দেশহেডলাইন

কৃষক বিক্ষোভ আট দিনে, জরুরি বৈঠকে অমিত শাহ-পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: আজ ফের কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে কেন্দ্র। তবে তার আগে জরুরি বৈঠকে বসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। সকালেই এই বৈঠক হওয়ার কথা। অমিত শাহ বাসভবনে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী। রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলও সেখানে ছিলেন। কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। কৃষক বিক্ষোভে আটকে দিল্লির রাজপথ। হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশ থেকে দিল্লি ঢোকার রাস্তায় কার্যত চলছে অবরোধ। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে বসতে চলেছেন বিক্ষোভকারীরা। ফসলের নূন্যতম মূল্য সহ একাধিক দাবি উঠে আসতে চলেছে বৈঠকে। তবে গোটা পরিস্থিতিতে কেন্দ্র যে অস্বস্তিতে, তা স্পষ্ট।

তার আগে সাত নম্বর দিনেও কৃষক বিদ্রোহে নৈরাজ্যের পরিস্থিতি দিল্লিতে। আপাতত বন্ধ দিল্লি গাজিয়াবাদ রোড। আংশিক ভাবে খোলা দিল্লি-নয়ডা লিঙ্ক রোড। আজ কৃষকদের সঙ্গে ঐক্যমতে আসা যায় কিনা সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। বিতর্কিত কৃষি আইন অবিলন্বে পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশন ডেকে বাতিল করুক মোদী সরকার, না হলে দিল্লি ঘেরাও আরও জোরদার হবে। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছে সারা ভারত কৃষক সভা নেতৃত্বে চলা ৩৫টি কৃষক সংগঠন। কৃষকদের দাবি, বিজেপির সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তা সর্বনাশ ঘটাবে দেশের কৃষিক্ষেত্রে। কৃষকরা পুরো কর্পোরেট দাস হয়ে পড়বেন। আইনটি বাতিল করার দাবিতে বিক্ষোভ তুঙ্গে। বিক্ষোভের অন্যতম নেতৃত্বে বামপন্থী কৃষক সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভা।

যদিও, আইন প্রত্যাহার করা হবে, এমন কোনও ইঙ্গিত কেন্দ্র দেয়নি। নরেন্দ্র মোদি থেকে অমিত শাহ হয়ে নরেন্দ্র সিং তোমর– এখনও নয়া কৃষি আইনের পক্ষেই সওয়াল করে চলেছেন। উলটে বোঝানোর চেষ্টা করছেন এই আইন কৃষক পরিপন্থী নয়। দু-পক্ষই নিজ নিজে অবস্থানে অনড়। এই অবস্থায় কেন্দ্রের সঙ্গে দ্বিতীয় বৈঠক কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা।

আরও পড়ুন: কৃষক আন্দোলন: কৃষকদের দাবি না মানলে ইস্তফা দেওয়ার হুমকি হরিয়ানার উপমুখ্যমন্ত্রীর

এই আবহে রেভলিউশনারি কৃষি ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট দর্শন পাল ইতিমধ্যেই বলছেন, বিশেষ সংসদ অধিবেশন করে এই আইন প্রত্যাহার করতে হবে। আগামী ৫ ডিসেম্বরে মধ্যে যদি তাদের দাবিদাওয়া পালিত না হয় তবে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হবে। লোকসংঘর্ষ মোর্চাও দ্বার্থ্যহীন ভাষায় বলছে আজই শেষ সুযোগ কেন্দ্রের। এই পরিস্থিতিতে কোন পথে সমাধানসূত্র বেরোবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সব পক্ষই। রাহুল গান্ধি বলতে শুরু করেছেন, ‘ঝুট কি লুঠ কি সুট-বুট কি সরকার।’ কোথাকার জল কোথায় গড়ায় সেটাই এখন দরকার।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close