fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, দিঘায় পর্যটকদের খুলে দেওয়া হল একাধিক হোটেল

মিলন পন্ডা ও বিষ্ণুপদ পণ্ডা, দিঘা (পূর্ব মেদিনীপুর): বৃহস্পতিবার থেকে খুলে যাচ্ছে সৈকত নগরী দিঘার একাধিক হোটেল।পর্যটকদের দিঘার আসার ক্ষেএে আর কোন বাধা রইল না। মারণ করোনা ভাইরাসে দীর্ঘ লকডাউন কাটিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে চলেছে সৈকত নগরী দিঘা। এর আগে মন্দারমণি অধিকাংশ হোটেল খুলে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকেই সমন্ত পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে সৈকত নগরী দিঘার একাধিক হোটেল। পাশাপাশি সৈকত নগরী শঙ্করপুরে একাধিক হোটেল খুলে যাচ্ছে। সরকা্রি সব রকমের নিয়মকানুন মেনেই সৈকত নগরী দিঘা ও শঙ্করপুরে হোটেল ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন।এই নিয়ে বুধবার সন্ধ্যায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বেঠক হয়।

পরিচালন কমিটি ও হোটেল মালিকেরা একটি বৈঠকে বসেন।করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে প্রায় আড়াই মাস ধরে বন্ধ পর্যটকদের জন্যে বন্ধ সৈকত নগরী দিঘা।এর জেরে পর্যটন শিল্পে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হোটেল মালিক থেকে ছোট বড় রেস্তোরাঁ সহ অন্যান্য ব্যবসাতেও আঘাত লেগেছে।এই অবস্থায় সরকারি বিধি নিষেধ মেনে বৃহস্পতিবার থেকে কিছু কিছু হোটেল খোলার সিদ্ধান্ত নিল দিঘা শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন।

ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের পক্ষে ৮ জুন থেকে হোটেল খোলার বিষয়ে গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পরই বুধবার সন্ধ্যায় দিঘায় অবস্থিত হোটেলিয়ারর্স অ্যাসোসিয়েশানের অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই হোটেল খোলার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন মালিকেরা।তবে হোটেল খোলার ক্ষেত্রে খুব বেশি তাড়াহুড়ো করতে নারাজ দিঘা হোটেল মালিকদের একাংশ। এই মুহূর্তে দিঘা জুড়ে প্রায় সাড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ ছোটবড় মিলিয়ে হোটেল রয়েছে।অনেক আবার ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয়।

গুরত্বপূর্ণ বৈঠকে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র, যুগ্ম সম্পাদক তপন মাইতি ও বিপ্রদাস চক্রবর্তী সহ আরও আরও অনেকের। দীর্ঘ আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয়েছে এই মুহূর্তে দিঘার ৩০% হোটেল পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে।

শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুশান্ত পাত্র বলেন, প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে ৩০ শতাংশ হোটেল খোলার।পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্ষন্ত কেবলমাত্র সমুদ্র ও দিঘা সৈকত লাগোয়া ৩০% হোটেলকেই খোলার জন্য অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এই হোটেলগুলি আবার তাদের ৩০% ঘর পর্যটকদের জন্য খুলে দেবে। কর্মীসংখ্যাও মোটামুটি ৩০% থাকবে হবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশানের পক্ষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে হোটেল মালিকদেরই কর্মচারী ও পর্যটকদের সুরক্ষার দিকটি নিশ্চিত করে করতে হবে। হোটেল প্রতিনিয়ত স্যানিটাইজ রাখা এবং মারণ করোনা ভাইরাস না ছড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।অন্যদিকে দিঘায় বেড়াতে আসা কোনও পর্যটক ইচ্ছা মতো যেখানে সেখানে ঘুরতে পারবেন না। এক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনের সিদ্ধান্তই মান্যতা পাবে বলে হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশান পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যদিও দিঘার আসার ক্ষেএে পর্যটকদের কোন আগ্রহ নেই। অনলাইনের হোটেল বুকিং একবারে নেই। দিঘার হোটেল খুলে গেলেও কোন পর্যটকদের দেখা নেই। পর্যটকদের বিহীন সৈকত নগরী দিঘার একবারে ভিন চিএ ধরা পড়ল।কবে সৈকত নগরী দিঘা স্বাভাবিক হবে সেটাই দেখায়।

Related Articles

Back to top button
Close