fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

চম্পাহাটির হারাল বাজিবাজারে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ

বাবলু প্রামাণিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আর ঠিক কয়েকটা দিন পরেই দীপাবলি উৎসব। এখন তারই প্রস্তুতি চলছিল জোরকদমে। আর দীপাবলি ঠিক আগেই বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ আচমকা আগুন লাগে চম্পাহাটির হারাল বাজিবাজারে। এলাকার মানুষ দূর থেকে দেখেন একটি দোকান থেকে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। কুণ্ডলী পাকিয়ে উপরে উঠছে কালো ধোঁয়া। তাঁরা হইচই শুরু করেন। তারপরেই এলাকার মানু্ষে বেরিয়ে এসে ওই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করে দেন। খবর যায় দমকলে।

বারুইপুর থেকে দমকলের ৩ টি ইঞ্জিন এসে প্রায় ৩ ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। এই ঘটনায় প্রবল আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। যাঁরা বাজি কিনতে এসেছিলেন তাঁদের কাউকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বারুইপুর থানার বিশাল পুলিশ এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিৎ বসু ঘটনাস্থলে গিয়ে সমগ্র পরিস্থিতি সামাল দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে হারালের বাজি বাজারে সুমন নস্কর নামের এক বাজি ব্যবসায়ীর দোকানে প্রথমে আগুন লাগে। সেখানে মজুত থাকা আতসবাজি ফাটতে শুরু করে। শুধু তাই নয় দোকানে রাখা সেলেও আগুন লাগে। তারপর সেই সেলগুলি চারিদিকে উড়তে শুরু করে। যার ফলে আশেপাশের বাজির দোকান গুলিতেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনায় সমগ্র এলাকায় হৈচৈ পড়ে যায়। স্থানীয় মানুষ এসে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকল আগুন নেভানোরা কাজ শুরু করে।
দমকল সূত্রে জানা গেছে, মোট ৩ টি অস্থায়ী বাজির দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। পাশাপাশি দুটি বাড়িও বাজির আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। চম্পাহাটির এই বাজি গ্রাম থেকে রাজ্য এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাজি সরবরাহ করা হয়। এটাই বাজি গ্রামে বাজি বিক্রির শেষ লগ্ন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তবে এদিন দীপাবলির আগে কারখানায় আগুন লাগায় ক্ষতি হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার বাজির বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার সকালে অমিত শাহ বাঁকুড়ায়, পুরো  নিরাপত্তা বলয়ে গোটা জেলা 

ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন বাজি ব্যবসায়ীরা মহল। একদিকে করোনা আবহে অর্থনৈতিক অবস্থা তলানিতে ঠেকেছে তারপরে এই দুর্ঘটনায় দিশেহারা বাজি ব্যবসায়ীরা।

Related Articles

Back to top button
Close