fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

পুরসভার কর্মীদের আসতে অসুবিধা হচ্ছে স্বীকার করলেন ফিরহাদ 

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: কলকাতা পুরসভায় ১০০ শতাংশ উপস্থিতির নির্দেশ দিয়েছিল পুর কমিশনার। তা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল পুর কর্মীদের। কিন্তু তার পরেও সোমবার সকাল থেকেই কর্মীরা অফিসে আসতে শুরু করেন। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমনকী বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে গিয়ে অনেকেই এদিন সমস্যাতে পড়েন বলে অভিযোগ। কোনও কোনও কর্মী জানালেন, পথে বাসের সংখ্যা কম, তাই অফিস আসতে সমস্যা হয়েছে। অফিস আসার পথে সামাজিক দূরত্ব-বিধি মানাও সম্ভব হয়নি বলে, অভিযোগ করেন অনেকে। যদিও পুরসভায় ঢোকার সময় পুরোদস্তুর করোনা সতর্কতা মেনেই ঢুকতে হচ্ছে। প্রবেশ পথে প্রত্যেককে স্যানিটাইজার দেওয়া হয়। সতর্কতা অবলম্বনে সর্বক্ষণ মাস্ক পরা ও পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভায় বার্থ সার্টিফিকেট নিতে এসেছেন এদিন অনেকেই। অথচ তাঁদের কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলছেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, পুরকর্মীরা বলছেন, ‘হাজিরার সার্কুলার রয়েছে, কিন্তু কাজের নেই’। স্বাভাবিক ভাবেই এই নিয়ে দানা বাঁধছে অসন্তোষ।

পুরসভার কর্মীদের কাজে যোগ দিতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। স্বীকার করে নিলেন স্বয়ং পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। সোমবার তিনি সংবাদ মাধ্যমে এ কথা মেনে নিয়েছেন। জানিয়েছেন, ‘পুরো কমিশনারের সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছে। পুরো কমিশনারকে তিনি জানিয়েছেন পুরো কর্মীদের অফিসে নিয়ে আসতে যদি কয়েকটি রুটে বাসের ব্যবস্থা করা হবে পুরসভার পক্ষ থেকে।’

অন্যদিকে পুরসভার ১০০ শতাংশ উপস্থিতির এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কলকাতা মিউনিসিপাল কর্পোরেশন ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড অ্যালয়েড সার্ভিসেস অ্যাসোসিয়েশন। এবিষয়ে সংগঠনের পক্ষ পুর কমিশনারকে একটি পালটা চিঠি দিয়ে তাদের এক গুচ্ছ দাবি জানায়। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয় রাজ্য সরকার যখন ৭০ শতাংশ উপস্থিতির হার বেধে দিয়েছে সেই অবস্থায় পুর কর্মীদের ১০০ শতাংশ উপস্থিতির হার কেন চাওয়া হচ্চে। গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনও অপতুল। বাসের ক্ষেত্রে সংখ্যায় অনেক কম এবং লোকাল ট্রেন, মেট্রো অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ। তাই পাবলিক ট্রান্সপোর্টের সহজলভ্যতা না হওয়া অবধি কলকাতা ও আশেপাশের কর্মচারীদের জন্য পিক আপ এবং ড্রপ সুবিধা।

এছাড়াও সমস্ত অফিসগুলিতে যথাযথ নিয়মিত স্যানিটাইজেশন। সমস্ত কর্মচারীদের জন্য স্যানিটাইজার এবং মাস্কের ব্যবস্থা করতে হবে। সমস্ত কর্মীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। প্রতিটি দফতরে সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে কাজের ব্যবস্থা করতে হবে।

Related Articles

Back to top button
Close