fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

চিনা মাঞ্জা বন্ধ করার হাই কোর্টের নির্দেশকে সাধুবাদ জানালেন ফিরহাদ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: চিনা মাঞ্জা বলে কিছু নয়। এর সঙ্গে চিনা বিদ্বেষের কোন যোগসূত্র নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন পুর মন্ত্রী তথা পুর প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম। মঙ্গলবার পুরসভায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিনা মাঞ্জা নিয়ে আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে এমনটাই বললেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘চিন বিদ্বেষ পরিস্থিতিতে চিনা মাঞ্জা ব্যান্ড কোনও বিশেষ ততপরোতা নয়। এটা সমাজের খুব বেশি গুরুত্ব পূর্ণ উপাদান না। এটার জন্য সাধারণ মানুষের জীবনে খুব বেশি প্রভাব পরবে না। আমি কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে সাধুবাদ জানাই।’
চীনা মাঞ্জা যেন মৃত্যু ফাঁদ। শহর কলকাতায় চিনা মাঞ্জা রীতিমত ত্রাস হয়ে উঠেছিল। যখন তখন শহরের বুকে প্রাণ কেড়ে নিচ্ছিল বাইক আরোহীদের। অনেক মানুষ গুরুতর আহত হয়েছে। প্রতিদিনই সংবাদ মাধ্যমের শিরনামে স্থান করে নিয়েছিল চিনা মাঞ্জা। যার ফলে বাধ্য হয়ে কলকাতা উচ্চ আদালত চিনা মাঞ্জাকে বাতীল ঘোষনা করল। এ বিষয়ে কলকাতা পুলিশের কাছেও চীনা মাঞ্জা বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে আর শহরের যত্র তত্র পরে থাকতে দেখা যাবে না চিনা মাঞ্জা। এই মাঞ্জা যতটাই চিকন ততটাই ধারাল। শহরের বেশির ভাগ ফ্লাই ওভারে বাইক আরোহীদের জন্য অশনি সঙ্কেত ছিল। এই অজনা বিপদে প্রাণ হারিয়েছে বহু মানুষ। শহরের বিভিন্ন ফ্লাই ওভারের ওপর এই চীনা মাঞ্জা পরে থাকত। আর এতটাই চিকন যে খালি চোখে দেখা যেত না। যার ফলে ব্রিজের নীচ থেকে আসা বাইক আরোহীরা খালি চোখে দেখতে না পেয়ে স্পীডে গাড়ি চলিয়ে যাওয়ার সময়ে বিপদ ডেকে আনত।
এ প্রসঙ্গে এদিন ফিরহাদ আরও বলেন, ‘বিভিন্ন ফ্লাই ওভারে চিনা মাঞ্জা পরে থাকত। কিছুতেই আটকাতে পারছিলাম না। যেখানে ফ্লাই ওভারের মাঝখানে মাঞ্জা এসে পড়ছিল সেখানেই দু চাকার ড্রাইভার দের জন্য বিপদ ডেকে আনছিল। সম্প্রতি একজনের প্রাণ গেছে। বহু মানুষ এই মাঞ্জার জন্য যখম হয়েছেন। প্রচুর মানুষের যে ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণ হানি হত এবার তার হাত থেকে বাঁচবে।’

Related Articles

Back to top button
Close