fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

মাও এলাকায় নতুন করে ফোর্স কেন তা বোঝার ক্ষমতা দিলীপ ঘোষের নেই: ফিরহাদ

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়,কলকাতা: মাও এলাকায় নতুন করে ফোর্স কেন তা বোঝার ক্ষমতা দিলীপ ঘোষের নেই। তোপ দাগলেন পুর মন্ত্রী তথা পুরো প্রশাসক মন্ডলী চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম। শনিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মাও অঞ্চলে ফুটবল নিয়ে বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানান ফিরহাদ। তিনি বলেন, ‘এটা বোঝার মতো রাজনৈতিক পরিপক্কতা ওনার এখনও নেই। সেজন্য উনি ভুলভাল বলছেন।’ এর আগে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন মাওবাদীদের সক্রিয় করে ফের জমি পেতে চাইছে তৃণমূল। সেই প্রতিক্রিয়ারই এদিন পাল্টা বললেন ফিরহাদ।

জঙ্গলমহলে ফের আনা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমনী ফের বাকযুদ্ধে তৎপর তৃণমূল বিজেপি। আসলে এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রধান কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলতে চায় না।

এদিন জঙ্গলমহলে কেন্দ্রীয় বাহিনী বলবৎ নিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘ রাজ্যের নিরাপত্তা সম্পর্কিত দুটো বিষয়কে মিলিয়ে ফেললে চলবে না। রাজ্যের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও রাজ্যের ইন্টারজেন্সি নিরাপত্তা দুটি এক নয়। ইন্টারস্টেট ইন্টার জেন্সি শুধু জঙ্গলমহল নয় অন্যান্য রাজ্যগুলির ক্ষেত্রেও করা হয়। শুধু জঙ্গলমহল বলে নয় অন্ধ্র প্রদেশ উড়িষ্যা ঝাড়খন্ড সহ অনেক রাজ্য যারা ইন্টারস্টেট ইন্টারজেন্সি করেছে। বাংলাকেও কেন্দ্রীয় বাহিনী বলবত করতে হয়েছে। কারণ মাওবাদীদের আটকানোর জন্য বাংলার পুলিশ ওদের পেছনে পেছনে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যেতে পারবেনা। সে সময় এই কেন্দ্রীয় বাহিনী ওদের আটকাবে।’

অন্যদিকে রাজ্য সরকার করনা পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ এই নিয়ে বারবার সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এ প্রসঙ্গে পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে দিন ফিরহাদ হাকিম বলেন, “দিলীপ ঘোষের মাথার মধ্যে করোনা হয়েছে”। একইসঙ্গে তিনি দাবি করে জানান, “করোনায় সবথেকে ভালো নিয়ন্ত্রণ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সারা দেশের তুলনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিসখ্যান অনেকটাই কম। রিকভারি রেট ও অনেক বেশি”।

এখানেই থেমে না থেকে কলকাতা পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ অভিযোগ করে বলেন, “দিলীপ ঘোষ ও তার গুরুরা নিজেরাই করোনা নিয়ে রাজনীতি করছে।যে সময় লকডাউন করা কথা ছিল সে সময় লকডাউন করেনি। যখন লকডাউন দরকার ছিল তখন হাততালি ও ঘন্টা বাজিয়ে গেছে”। একই সঙ্গে দেশজুড়ে পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির নিয়ম বিজেপিকে নিশানা করেছেন তিনি। জানিয়েছেন, “পৃথিবীর সব জায়গায় পেট্রোল-ডিজেলের দাম কম সেই সময় আমাদের এখানে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বেড়েছে।”

প্রসঙ্গত, দুদিন আগে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ রাজ্যে আলুর দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দিকে আঙুল তুলেছিলেন। জানিয়েছিলেন, “পেট্রোলের দাম বাড়লে তৃণমূল রাস্তায় নেমে পড়ে। এখন তো আলু শাক সবজির দাম আকাশছোঁয়া বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কি করছেন? মোদীজি কি বাড়াচ্ছেন নাকি আলুর দাম? বাড়ছে সবজির দাম বাড়ছে রাজ্য সরকার কি করছে? সাধারণ মানুষের কাছে জবাব দিতে হবে।” এর পাল্টা জবাব দিয়ে অবশ্য আলুর মূল্য বৃদ্ধির জন্য চাষীদের আলু চাষের পর মিডিল ম্যান দের দায়ী করেন তিনি। তাঁর কথায়, “এটার সঙ্গে তেলের দাম গোলালে হবে না। আলুর দাম সরকার প্রত্যেকদিন মনিটর ক

Related Articles

Back to top button
Close