fbpx
কলকাতাপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি নিয়ে দিলীপ ঘোষকে পাল্টা জবাব ফিরহাদের

অভিষেক গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: বিজেপি ভয় পাচ্ছে মমতার নতুন কর্মসূচিকে। কটাক্ষ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বুধবার এক সাক্ষাৎকারে পুরমন্ত্রী বলেন, ‘দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে ভয় পেয়েছে বিজেপি।’ অন্যদিকে তিনি দাবি করেন বহিরাগত তত্ত্ব নিয়ে বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করছে। ফিরহাদ বলেন, ‘বহিরাগত মানে নির্বাচনের সময় যারা বাইরে থেকে আসেন তাদের কথাই বোঝায়।’

মঙ্গলবার থেকে শুরু হয় রাজ্য সরকারের নতুন কর্মসূচি দুয়ারে দুয়ারে সরকার। এদিন কলকাতার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং ১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে রাজ্যের পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এ ক্যাম্প গুলি থেকে ১১ টি প্রকল্পের চটজলদি সমাধান মিলবে বলে দাবি রাজ্য সরকারের। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত শহরের ১৪৪টি ওয়ার্ডে চার দফায় রাজ্য সরকারের ১১ টি সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা শহরবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে এই শিবির চলবে। কর্মসূচি শুরুর প্রথম দিনেই শিবিরগুলিতে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের কার্ডের জন্য আবেদন বেশি জমা পড়েছে বলে জানা গেছে। এদিন দুয়ারে সরকার প্রসঙ্গে পাল্টা জবাব দিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানান, “এই কর্মসূচিকে ভয় পেয়েছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের এখন কিছুই করার নেই, যতক্ষণ না নির্বাচন ঘোষণা হচ্ছে”।

অন্যদিকে বহিরাগত তত্ত্বে সাফাই দিয়ে ফিরহাদ বলেন, ‘বহিরাগত মানে নির্বাচনের সময় যারা বাইরে থেকে আসেন তাদের কথা বোঝায়। যে সকল পাখি শীতের সময় আসে আবার চলে যায় তেমনই নির্বাচনের সময় যারা আসেন আবার চলে যান তাদের কথাই আমরা বলছি। এখানে এমন অনেক ফ্যামিলি আছে যারা এখানে বাইরে থেকে এসে ইন্ডাস্ট্রি করেছেন, আছেন, তারা কেউ কেউ আমার থেকে অনেক পুরনো লোক এখানে আছে। অনেক লোক আছে যারা হিন্দিতে কথা বলে কিন্তু এখানে থাকে। তাদেরকে আমরা বহিরাগত বলছিনা। ইলেকশনের সময় বাইরে থেকে এসে কথা বলে চলে যায়। তাদের বহিরাগত বলছি। বাংলার মানুষকে নিয়ে দিলীপ ঘোষ আসলে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। কখনো হিন্দু মুসলমান কখনো বাঙালি-অবাঙালি রাজনীতি করছে।’

অন্যদিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের সঙ্গে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের তুলনা টেনে তা নিয়ে প্রশ্ন শোনা গেছে রাজ্যপালের গলাতেও। তাঁর প্রশ্ন, “রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথীর আদলে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই প্রকল্পটি কিন্তু এ রাজ্যে লাঘু করেনি সরকার। কেন করা হয়নি?”

আরও পড়ুন: ‘উঠল আওয়াজ বঙ্গে, খুনি ধর্ষণকারি মাফিয়া, কাটমানি খোর ও চাল চোররা দিদির সঙ্গে’: লকেট

এর জবাব দিয়ে ফিরহাদ জানিয়েছেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের থেকে রাজ্যের কাছে স্বাস্থ্যসাথী অনেক বেশি গুরত্বপূর্ণ। রাজ্যপালের কথা যত কম বলা যায়, ততই ভালো। চাকরি বাঁচানোর জন্য তিনি যা খুশি করতে পারেন”।

Related Articles

Back to top button
Close