fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে প্রথমবার করোনা আক্রান্তের হদিশে চাঞ্চল্য

বিজয় চন্দ্র বর্মন , মেখলিগঞ্জঃ এবার কোচবিহার জেলার গ্রিন জোন মেখলিগঞ্জেও মিললো করোনার হদিশ। বিষয়টি প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে তা নিয়ে শুরু হয় ধোঁয়াশা। শেষ পর্যন্ত জেলা শাসক দপ্তরের মারফৎ সমস্ত জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে মেখলিগঞ্জের চার ব্যক্তির শরীরে করোনা পজিটিভের রিপোর্ট এসেছে।

বৃহস্পতিবারব মেখলিগঞ্জে প্রথমবার চার জনের শরীরে করোনা পজিটিভের খবর চাউর হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কে বিকেল বেলাতেই শুনশান হয়ে পড়ে মেখলিগঞ্জ পৌর এলাকা। কোচবিহারের জেলা শাসক সূত্রে এখবর জানানো হয়েছে যে, মেখলিগঞ্জ পৌর এলাকার ১ নং ও ৭ নং ওয়ার্ডের দুজন করে মোট চার জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর পর তড়িঘড়ি সেই সব ওয়ার্ডে স্যানিটাইজড ও গলি গুলি বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে লক ডাউনেও মেখলিগঞ্জ থেকে কোনও করোনা পজিটিভের খবর না থাকায় এতদিন মেখলিগঞ্জের মানুষ স্বস্তিতে ছিল, কিন্তু বৃহস্পতিবারের খবরে কার্যত ঘুম উড়ে গিয়েছে মেখলিগঞ্জের মানুষের। বর্তমানে মেখলিগঞ্জ পৌরসভার ওই দুটি ওয়ার্ডকে কনটেইন জোন হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। আক্রান্তদের সরানো হয়েছে কন্ট্রোল রুমে ।

পরিস্থিতি মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করবে প্রশাসন, এমনটাই প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে। আক্রান্তরা সকলে স্থানীয় বাসিন্দা বলেও জানা গিয়েছে। তাদের কোনও ট্রাভেল হিস্টোরি রয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। তবে ওই লটারি বিক্রেতার সংস্পর্শে অনেকে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে।আর তাতেই আতঙ্কের আবহ তৈরী হয় মেখলিগঞ্জে। শুক্রবার তাদের পুনরায় পরীক্ষা করে দেখার কথা জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি ওই দুটি ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে প্রশাসনের উদ্যোগে। এর পরেই বৃহস্পতিবার ওই চার জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের রিপোর্ট ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার দিন থেকে মেখলিগঞ্জের দোকানদাররা দোকান খুলবে কি না সে বিষয়ে মেখলিগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতি কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে। পরিসেবা চালু রাখলেও কড়াকড়ি ভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্যবসায়ী সমিতি। এদিকে মেখলিগঞ্জ পৌরসভায় করোনা সংক্রমনের খবরে সরকারি ও বেসরকারি অফিসের কর্মচারীদের মাথায় হাত পড়েছে। সরকারি নির্দেশিকার অপেক্ষায় তারা প্রহর গুনছেন বলে জানিয়েছেন। বাকি ওয়ার্ড গুলোর দোকানদারদের লালা রসের নমুনা সংগ্রহের দাবি জানিয়েছেন তারা। ওই সব সংক্রমিত ব্যক্তিদেরও লালা রসের নমুনা সংগ্রহ করা হবে কি না সেটা পরবর্তীতে জানা যাবে।

Related Articles

Back to top button
Close