fbpx
অসমগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যু মিজোরামে, রাজ্যবাসীকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মিজোরামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধের। মৃত বৃদ্ধের বয়স ৬২ বছর। বেশ কিছুদিন ধরে জোরাম মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা চলছিল ওই রোগীর। বার্ধক্যজনিত কারণ ছাড়াও শরীরে অন্যান্য রোগ বাসা বেঁধেছিল বলে জানা গেছে।তবে কো-মর্বিডিটির কারণেই মৃত্যু হয়েছে রোগীর দাবি চিকিৎসকদের।

মিজোরামের মত রাজ্য এখনও করোনা মারাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। সরকারের তরফ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যাতে এই রোগ ছড়িয়ে না পড়ে। তারপরেও রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে এই মৃত্যুতে আরও কঠোর প্রশাসন।

দেশে কোভিড সংক্রমণ বাড়ছিল তখন এই রাজ্যকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। কারণ একমাত্র কোভিড রোগীর রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছিল। গত মাস থেকে ফের কয়েকজনের সংক্রমণ ধরা পড়েছে তবে সেই সংখ্যা হাতে গোনা। সংক্রমণের গ্রোথও একেবারেই কম। এতমাস অবধি করোনা সংক্রমণে একটিও মৃত্যু হয়নি এই রাজ্যে। অক্টোবরের শেষে এসে এই প্রথম মৃত্যু হল করোনা রোগীর।

মিজোরামে এখন অ্যাকটিভ কোভিড রোগীর সংখ্যা ৩৭৪। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬০৭ জন। নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮০ জনের মধ্যে। স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগেরই সংক্রমণ মৃদু। ২ হাজার ৩৩৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। রাজ্যে করোনায় সুস্থতার হার ৮৫.৬৬ শতাংশ। মিজোরামে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে মার্চে।

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদে বিসর্জনে মৃত ৫ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

একমাত্র করোনা রোগীর বয়স ছিল ৪৫ বছর। গত ১৬ মার্চ আমস্টারডাম থেকে ফেরার পরেই তাঁর মধ্যে একটু একটু করে করোনার উপসর্গ ফুটে ওঠে। গত ২৪ মার্চ তাঁকে জোরাম মেডিক্যাল কলেজে তাঁকে ভর্তি করা হয়। ব্যক্তির স্ত্রী ও মেয়েকেও রাখা হয়েছিল কোয়ারেন্টাইনে। হাসপাতালে ওই ব্যক্তির করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের কোভিড টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় চারদিন পরেই তাঁদের হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তারপর আর একটিও করোনা রোগীর হদিশ না মেলায় করোনা-মুক্ত রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয় মিজোরামকে।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পু জোরামথাঙ্গা বলেছেন, মিজোরাম এমন একটি রাজ্য যেখানে নিয়মশৃঙ্খলার অমান্য করা হয় না। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাজ্যের সবকটি চার্চ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং সরকারি আধিকারিকরা সম্মিলিতভাবে কাজ করেছেন। করোনা ঠেকাতে রাজ্যবাসীদের ভূমিকাও প্রশংসনীয়। তাও আরও সচেতনভাবে থাকার জন্য সকলে আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Related Articles

Back to top button
Close