fbpx
গুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

স্বাধীনতার পর প্রথম কোনও আদিবাসী মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, খুশির হাওয়া ‘বঞ্চিত’ সমাজে

মোকতার হোসেন মন্ডল: সোনাঝরিয়া মিনজ নামে এক আদিবাসী নারী ঝাড়খণ্ডের সিধো কানো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়েছেন। আর স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও আদিবাসী মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ায় খুশির হাওয়া বাংলা সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ‘বঞ্চিত’ সমাজের মধ্যে। সোনা ঝরিয়া মিনজ দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ছিলেন।

ঝাড়খণ্ডে আদিবাসীর ‘বন্ধু সরকার’ এখন ক্ষমতায়। হিমন্ত সোরেন ক্ষমতায় আসার পরেই আদিবাসী ও দলিত সমাজের প্রতি বিশেষ নজর দিচ্ছেন। তাদের সমাজের একজন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ায় গোটা ঝা়ড়খণ্ড সহ দেশের আদিবাসী সমাজে রোদঝলমল হাসি।

শুক্রবার তাঁর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মূ। ঝাড়খণ্ড সরকার তাঁর নিয়োগের নোটিফিকেশন জারি করেন বুধবার। কিন্তু তখন তিনি দিল্লিতে লকডাউনের জেরে ঘরবন্দি ছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই খবর পেয়েই যুদ্ধের ব্যস্ততায় টিকিট কাটার কাজ সেরে বিমান ধরেন রাঁচির।

জানা গেছে, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে সোনাঝরিয়ার বিষয় ছিল অঙ্ক। রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়ে সোনাঝরিয়া ১৯৮৬ সালে কম্পিউটার সায়েন্স পড়তে ভর্তি হন জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তার সফলতায় উজ্জীবিত দেশের বঞ্চিত সমাজ। কেমন লাগছে? সোনাঝরিয়া সোনাঝরা বলেন,”এক সময় স্কুলের অঙ্ক শিক্ষক বলতেন তোমার দ্বারা হবে না।”
আদিবাসী অধ্যাপিকার উপাচার্য হওয়ার খবর পেতেই বাংলায় সোশ্যাল সাইটে অভিনন্দন জানানো শুরু হয়।

ঝাড়গ্রামের এক সরকারি কর্মী প্রদীপ কুমার হাসদার মন্তব্য,’একজন মহিলা আদিবাসী প্রফেসর হিসেবে সোনা ঝরিয়া মিনজ ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সিদো কানহো মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হওয়ায় খুব খুশি ঝাড়খণ্ড সহ সারা দেশের আদিবাসী জনগণ|
বিভিন্ন আদিবাসী নেতারা বলছেন, এই ঘটনায় তারা উৎসাহ পাচ্ছেন। কঠোর পরিশ্রম করলে যে সফলতা আসে তা প্রমাণিত।

Related Articles

Back to top button
Close