fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

জীবন জীবিকার জন্য ১৫ জুন থেকে ফের সমুদ্রে যাবেন মৎস্যজীবীরা

মিলন পণ্ডা, পূর্ব মেদিনীপুর: মৎস্যজীবীদের জীবন জীবিকা কথায় মাথায় রেখে সমুদ্রের মৎস্য শিকার করতে যাওয়া নিশ্চিত করল কাঁথি পেটুয়া দেশপ্রাণ মৎস্য বন্দরে মৎস্যজীবীরা। শনিবার সকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক অরিন্দম সেনগুপ্ত কাছে একটি ডেপুটেশান দিলেন। এর আগে তাঁরা বন্দরের নিলাম কেন্দ্রে একটি সভায় মিলিত হন। সেখানে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবিলম্বে মাছ ধরা শুরু করারই দাবি ওঠে। নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাছ ধরা এবং মৎস্য বিপনণ কেন্দ্র চালু হোক। তারা সরকারি নিয়ম ও স্বাস্থ্য বিধি মেনেই তারা মৎস্য শিকার করতে প্রস্তুত। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে কাঁথি উপকূলে বিভিন্ন মৎস্যবন্দরে যেখানে মাছ ধরতে যেতে অধিকাংশ ট্রলার মালিক অনিচ্ছুক, স্থানীয় গ্রামবাসীরাও বাধ সেধেছেন। সেখানে আগামী ১৫জুন মাছ ধরার শুরু করার দাবিতে আন্দোলনে নামলেন দেশপ্রাণ ব্লকের পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দরের মৎস্যজীবি, মৎস্য ব্যবসায়ী, ট্রলার-লঞ্চ মালিক থেকে শুরু করে এলাকার বাসিন্দারাও। যদিও কাঁথির শৌলা ও রামনগরের শঙ্করপুর মৎস্যবন্দরের মৎস্যজীবী ও মৎস্য ব্যবসায়ী সংগঠন করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা এবং ট্রলার মাছ ধরতে প্রস্তুত না হওয়ায় সমুদ্রে না নামার সিদ্ধান্তেই অনড় রয়েছে।

প্রসঙ্গত পেটুয়াঘাট মৎস্যবন্দর থেকে সহস্রাধিক ট্রলার-লঞ্চ সমুদ্রে যাতায়াত করে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কয়েক হাজার মানুষের জীবন-জীবিকা বন্দরের উপর নির্ভরশীল। এদিন পেটুয়াঘাটে দাবি করা হয়েছে, মাছ ধরা শুরু করার পাশাপাশি বন্দরে অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির খুলে বাইরের জেলা বা রাজ্য থেকে আগত মৎস্যজীবীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হোক। তারপরই সমুদ্রে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। একইসঙ্গে বন্দর নিয়মিত স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

আরও পড়ুন: বিজেপির উদ্যোগে দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র রায়গঞ্জে

জন প্রতিনিধিদের পক্ষে দেশপ্রাণ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি তরুণ জানা বলেন, আমরা মৎস্যজীবীদের দাবিকে সাধুবাদ জানাছি। কিছু ট্রলার-লঞ্চ মালিক সমুদ্রে নামার বিরোধিতা করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে। এমনিতেই করোনার প্রভাব আর লকডাউনের কারণে মৎস্যবন্দরের সঙ্গে জড়িত সকলের জীবন-জীবিকা স্তব্ধ। মাছ ধরা শুরু না হলে তাঁরা কী খাবেন। নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাছ ধরা শুরু হলে আমরা সব দিক দিয়েই সহযোগিতা করব। পেটুয়ার বন্দরের স্পেশাল অফিসার অরিন্দম সেনগুপ্ত বলেন ১৫তারিখ থেকে ফিশিং শুরু করার জন্য এখানে সমস্ত পরিকাঠামোই তৈরি রয়েছে। আমরা মহকুমা শাসকের কাছে দাবি জানিয়েছি। মৎস্যজীবীরা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সমুদ্রে যেতে পারেন তার ব্যবস্থা করা হোক।

Related Articles

Back to top button
Close