fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণপশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোভিড ১৯-এর গাইডলাইন মেনে ত্রাণ দিতে বাধা নেই বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদদের

গোবিন্দ রায়, কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আর ত্রাণ দিতে বাধা নেই বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের। তবে ত্রাণ দানের ক্ষেত্রে মানতে হবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের বা কোভিড ১৯ – এর গাইডলাইন।মঙ্গলবার এই শর্তে হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ত্রাণ দানের অনুমতি দেন। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, কোভিড ১৯-এর গাইডলাইন মেনে ত্রাণ দান করতে পারবেন তিনি।

মামালাকারির আইনজীবী অরিজিৎ বক্সি জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদকে ত্রাণ দানে বাঁধা দেওয়ায় হচ্ছে। বিজেপি সাংসদের গতিবিধিতে নজর রাখছে পুলিশ। তারপর সেই মতো তার কর্মসূচিতে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে।

আইনজীবী আরও জানান, গত ২৩ এপ্রিল সকালে বালুরঘাট থেকে গঙ্গারামপুর যাওয়ার পথে ন্যাশনাল হাইওয়ের উপরে তাঁর গাড়ি দাঁড় করায় পুলিশ। জানানো হয়, কিছুতেই এগোতে দেওয়া যাবে না সাংসদকে। এই নিয়ে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে সাংসদের বাদানুবাদ হয়। সেখান থেকে তাঁকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিজেপি সাংসদ।

তবে এদিন রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল ও অতিরিক্ত এডভোকেট জেনারেল দাবি করেন, কোনও গাইড লাইন না মেনে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, সাংসদ কোথাও গেলে সেখানে ভিড় হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে লঙ্ঘিত হতে পারে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিংয়ের বিধি। তাই সাংসদকে তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

তবে মামলাকারীর আইনজীবীর দাবি, প্রশাসন শাসক দলের নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে এটা দেখা হচ্ছে না। পুলিশ এখন দলদাসে পরিণত হয়েছে। তৃণমূলের ক্যাডারের মতো কাজ করছেন পুলিশকর্মীরা।’

তাঁর অভিযোগ, ‘তৃণমূলের বড়-মেজ, এমনকী চুনোপুঁটি নেতারাও রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যাঁরা কোনও সরকারি পদে নেই তৃণমূলের তেমন নেতাদেরও বাধা দিচ্ছে না পুলিশ। যত বাধা বিজেপির বিরুদ্ধে।’

এর আগেও একাধিকবার লকডাউনের মধ্যে বিজেপি সাংসদদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পুলিশি বাধার মুখে পড়েছেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বারলা, রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী-সহ আরও একাধিক বিজেপি সাংসদ।

Related Articles

Back to top button
Close