fbpx
দেশহেডলাইন

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবশেষে মাসির বাড়ির পথে জগন্নাথ দেব

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক:  অবশেষে মাসির বাড়ির পথে জগন্নাথ দেব।পুরীতে শুরু রথযাত্রার রীতিনীতি।২৫০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ভক্ত ছাড়াই পথে নামল জগন্নাথদেবের রথ। মন্দিরে পৌঁছেছেন পুরোহিত। ৫০০ জনের বেশি একটি রথের দড়িতে টান দিতে পারবেন না। এই ৫০০ জনকে অবশ্যই করোনা নেগেটিভ হতে হবে।  সুপ্রিম কোর্ট থেকে এই নির্দেশ আসতেই সোমবার বিকেল থেকেই তোড়জোড় শুরু হয়ে যায় ওড়িশা প্রশাসনের মধ্যে। রথযাত্রা প্রস্তুতি কমিটির বৈঠকে স্বয়ং অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক।

তবে করোনার আবহে এইবারের রথযাত্রায় ভক্তসমাগম আটকাতে সোমবার রাত থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত পুরীকে সম্পূর্ণ শাটডাউন করে রাখা হচ্ছে। যাতে ভক্তরা মন্দিরে ঢুকতে না পারেন, তার জন্য রয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। রথযাত্রা বাঙালিদের কাছে এক বিশাল বড় উৎসব। তবে এই বছর করোনার জেরে সমস্ত উৎসবই ফিকে পড়ে যাচ্ছে। বাদ যায়নি রথযাত্রাও। প্রথমে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পুরীর জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সুপ্রিমকোর্ট নির্দেশ দেয় যে, কোনো রকম ভক্ত সমাগম ছাড়াই হবে এই বছরের রথযাত্রা। তাই এবার একেবারে সম্পূর্ণ এক নতুন পরিবেশে মাসির বাড়ি রওনা হচ্ছেন জগন্নাথ দেব।

আর পড়ুন: পুরীতে রথযাত্রা অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট!

ভক্তকুলের সমাগম আটকাতে সোমবার রাত থেকে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। মন্দির লাগোয়া হোটেল ও বাড়ির ছাদে নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে যাতায়াত। জানা যাচ্ছে, রথ টানবেন মন্দিরের দেড় হাজার সেবায়েত। সরকারি ভাবে যদিও ১২০০ সেবায়েতের কথাই বলা হচ্ছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ৫০০ জনের বেশি একসঙ্গে রথের দড়িতে হাত দিতে পারবেন না।রথের রশি টানার আগে সেবায়েতদের কোভিড পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হচ্ছে। রথ টানার সময়ে মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক। স্যানিটাইজার ব্যবহার করার দিকেও থাকছে কড়া নজরদারি। সব মিলিয়ে অভূতপূর্ব একটা পরিবেশ। রথযাত্রায় যথা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব রক্ষার কথাও বলা হচ্ছে।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close