fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউনে বন্ধ বৈদেশিক বানিজ্য, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা

বিজয় চন্দ্র বর্মন, মেখলিগঞ্জ: লকডাউনেও গ্রীন জোন কোচবিহার জেলায় শর্ত সাপেক্ষে কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতা আনা হয়েছে। গাড়ি চলাচলেও মিলেছে ছাড়। কিন্তু তাতেও মন ভালো নেই কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংড়াবান্ধা বৈদেশিক বাণিজ্য কেন্দ্রের বৈদেশিক বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের। কারণ যতদিন না চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্ত দিয়ে বৈদেশিক বানিজ্য চালু হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত কোনও আশার আলো দেখতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। ব্যবসা বন্ধ থাকায় ক্ষতি কয়েক কোটি টাকা। কর্মহীন হয়ে পড়েছে বহু শ্রমিক।

তবে ব্যবসায়ীদের একাংশ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বৈদেশিক বানিজ্যে অংশ নিতে রাজি নয়। তারা জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসা করতে রাজি নয় তারা। তাই সরকারি নির্দেশে বৈদেশিক বানিজ্য এখন চালু হলেও তারা
বৈদেশিক বানিজ্যে অংশ নেবে না।

আরও পড়ুন: বন্ধ স্কুল, চিন্তায় হরিপাল তারকেশ্বরের অভিভাবকরা

ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে বৈদেশিক বাণিজ্য চালুর বিষয়ে যথেষ্ট ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। কোচবিহার জেলার চ্যাংড়াবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে ভারত- বাংলাদেশ এবং ভুটান- বাংলাদেশের বানিজ্য চালু নিয়ে এখনই স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি।

এদিকে এই সীমান্ত দিয়ে গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আমদানি – রপ্তানি বানিজ্য বন্ধ হয়ে রয়েছে। এতে সমস্যায় পড়েছেন বহু মানুষ। প্রায় হাজার খানেক শ্রমিক কর্মহীন হয়ে বসে আছেন। যারা ট্রাকে পণ্য লোড- আনলোড এবং ট্রাক চালকের কাজের সঙ্গে যুক্ত, টানা বানিজ্য বন্ধে তারাও দিশেহারা ।ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চ্যাংড়াবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে দৈনিক পাঁচ শতাধিক পণ্য বোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে যায়। বানিজ্য বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় আড়াই কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে।

এপ্রসঙ্গে চ্যাংড়াবান্ধা এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল কুমার ঘোষ বলেন, ” বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে কবে এখান দিয়ে বৈদেশিক বানিজ্য চালু হতে পারে সেটা নিয়ে তাদের পক্ষে এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলা সম্ভব নয়।” চ্যাংড়াবান্ধা কাস্টমস সুপারিন্টেন্ডেন্ট এবং মেখলিগঞ্জ মহকুমা শাসক জানান, ” এটা নিয়ে যা বলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই বলবে। আমাদের বলার কিছু নেই।”

Related Articles

Back to top button
Close