fbpx
হেডলাইন

হাথরাসে গণধর্ষণ হয়নি, পুলিশের দাবিতেই সিলমোহর দিল চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্ট

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের হাথরাসে দলিত তরুণীকে নাকি গণধর্ষণ বা ধর্ষণ কিছুই করা হয়নি, এমনটাই দাবি করা হল ফরেন্সিক রিপোর্টে। এই একই দাবি কিছুদিন আগে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে করা হয়েছিল। কিন্তু ফরেন্সিক রিপোর্টের পরেও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। ঘটনার যত দিন পরে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেই বিষয় নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। হাথরাসে  দলিত তরুণীর ধর্ষণই হয়নি। চূড়ান্ত ফরেনসিক রিপোর্টেও  এমনটাই দাবি করা হল। বলা হল, নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে ‘পেনিট্রেশন’-এর কোনও চিহ্ন নেই। মেলেনি বীর্যও। উত্তরপ্রদেশে পুলিশের দাবিতেই কার্যত সিলমোহর দিল এই রিপোর্ট। তবে এই রিপোর্ট নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

সূত্রের খবর , আগ্রার ফরেনসিক ল্যাবের চূড়ান্ত রিপোর্টে বলা হয়, “নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে পেনিট্রেশনের কোনও চিহ্ন মেলেনি। তবে শারীরিক নিগ্রহের প্রমাণ রয়েছে। ঘাড়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে।” ফরেনসিক নমুনায় বীর্যের অস্তিত্ব পাওযা যায়নি বলেও জানানো হয়েছে।তাঁদের তরফে এই রিপোর্ট সাদাবাদ পুলিশ স্টেশনের সার্কেল অফিসারকে পাঠানো হয়েছে। এই রিপোর্টই আদালতে পেশ করা হবে। যদিও প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল, যৌনাঙ্গে পেনিট্রেশনের চিহ্ন রয়েছে। কিন্তু মাত্র ১০ দিনের মাথায় চূড়ান্ত রিপোর্ট সম্পূর্ণ বদলে গেল! উল্লেখ্য, ময়নাতদন্তে রিপোর্টেও বলা হয়েছিল নির্যাতিতার ভিসেরায় বীর্যের উপস্থিতি ছিল না।

আরও পড়ুন: সীমাহীন সন্ত্রাস আগাম জানিয়ে দিচ্ছে আর নয় বাংলায় তৃণমূল : জগন্নাথ

কারণ, গত ১৪ সেপ্টেম্বর নির্যাতন করা হয় তরুণীকে। তার ১১ দিন পরে তাঁর শরীরের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এতদিন পরে নমুনা পরীক্ষা হলে সেখানে বীর্য থাকবে না সেটাই স্বাভাবিক। ফরেন্সিকের তরফে বলা হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর তরুণীর দেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ হয়েছিল এবং তা আগ্রার ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয় ২৫ সেপ্টেম্বর। অর্থাত্‍ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ঘটনার ১১ দিন পরে। নমুনা সংগ্রহে যেভাবে দেরি হয়েছে তাতে প্রশাসনের বিরুদ্ধেই ফের গাফিলতির অভিযোগ তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের তরফে জানানো হয়েছে, ধর্ষণের মতো ঘটনার ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে নমুনা সংগ্রহ করলে তবেই বীর্য ও অন্যান্য নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু নমুনা সংগ্রহে দেরি হলে সেগুলি আর পাওয়া যায় না। তাই ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে সঙ্গে সঙ্গে মেডিক্যাল পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়। এক্ষেত্রে যত দেরি করে নমুনা সংগ্রহ হয়েছে তাতে প্রশাসনের দিকেই আঙুল উঠছে। ইচ্ছে করেই কি এই কাজ করা হয়েছে। প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরাও।

Related Articles

Back to top button
Close