fbpx
খেলাফুটবলহেডলাইন

প্রয়াত ১৯৮২ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক পাওলো রোসি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত্যু মিছিল! মারাদোনা, আলে সাবেয়া বিদায়ের শোকে এখনও আচ্ছন্ন ফুটবল বিশ্বের একটা বড় অংশ। এরই মধ্যে চলে গেলেন ইটালির ১৯৮২ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক পাওলো রোসি।  মৃত্যুকালীন তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থতায় ভুগছিলেন রোসি। বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁর মৃত্যুর খবর দেয় ইটালির এক সংবাদমাধ্যম।

একটা সময় ঘুষকাণ্ডে নাম জড়িয়ে কেরিয়ার শেষ হতে বসেছিল রোসির। কিন্তু প্রত্যাবর্তনের পরই নিজের পায়ের জাদুদে ইটালি তথা গোটা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করেন তিনি। ১৯৮২ সালে কার্যত একার হাতে ইটালিকে তৃতীয়বারের জন্য বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করেন রোসি। বিশ্বকাপে সোনার বল, সোনার বুট এবং সেবছরের ব্যালন ডি অর’, তিনটি পুরস্কারই জিতেছিলেন ‘পাবলিতো’। তিনিই প্রথম ফুটবলার যিনি কিনা একই সঙ্গে এই তিন পুরস্কার জেতেন। তারপরে ২০০২ সালে ব্রাজিলের রোনাল্ড একসঙ্গে এই তিন পুরস্কার জিতেছেন।

১৯৭৭ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত ইটালির হয়ে ৪৮টি ম্যাচে ২০টি গোল রয়েছে তাঁর। ভিসেনজার হয়ে ক্লাব ফুটবল শুরু। এর পর পেরুজিয়ার হয়ে এক বছর খেলে ১৯৮১ সালে জুভেন্টাসে চলে আসেন। সেখান থেকে তারকা হতে খুব বেশি সময় নেননি তিনি। জুভেন্টাসের হয়ে ৮৩টি ম্যাচে ২৪ গোল করেন। ১৯৮৫ সালে এসি মিলানে চলে আসেন। সেখানে এক বছর খেলেন। ক্লাব ফুটবলে মোট ৩৩৮ ম্যাচে ১৩৪টি গোল আছে তাঁর। দু’বার সিরি আ জেতেন। ১টি ইউরোপিয়ান কাপও রয়েছে তাঁর কেরিয়ারে।

জুভেন্টাস এবং এসি মিলানের প্রাক্তন এই স্ট্রাইকার ১৯৮২ সালে স্পেন বিশ্বকাপে ইটালিকে প্রায় একাই চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ৬টি গোল করে সে বার গোল্ডেন বুট জিতে নিয়েছিলেন তিনি। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ইটালির ৩-২ ব্যবধানে চিরস্মরণীয় জয়ে তিনটি গোলই করেছিলেন রোসি। এর পর পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে তিনি জোড়া গোল করেছিলেন। ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিরুদ্ধে ইটালির প্রথম গোল রোসিরই। শেষ পর্যন্ত ইটালি ৩-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়।  প্রিয় ‘পাবলিতো’র প্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন সেদেশের ফুটবল মহল।

Related Articles

Back to top button
Close