fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

এইমস ট্রমা সেন্টারের চতুর্থ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা দৈনিক ভাস্কর পত্রিকার প্রাক্তন সাংবাদিকের

৪৮ ঘন্টার মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: এইমস ট্রমা সেন্টারের চতুর্থ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন দৈনিক ভাস্কর পত্রিকার প্রাক্তন সাংবাদিক তরুণ সিসোদিয়া। কিছুদিন আগেই চাকরি চলে গিয়েছিল সিসোদিয়ার। তাঁর আড়াই বছরের আড়াই বছরের একটি ছেলে এবং একটি দুই মাস বয়সী মেয়ে রয়েছে। করোনার কারণে এইমস-এ চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এইমস কর্তৃপক্ষকে শীঘ্রই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন, ও ৪৮ ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি এইমস কর্তৃপক্ষকে হাসপাতালে কমিটি মেম্বারদের নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন সাংবাদিক তরুণ সিসোদিয়ার মৃত্যু নিয়ে শোকজ্ঞাপন করে টুইটে লিখেছেন, ‘সাংবাদিক তরুণ সিসোদিয়ার মৃত্যুতে আমি শোকাহত ও মর্মাহত। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক একটি ঘটনা। এই ঘটনা নিয়ে বলার আমার কোনও ভাষা নেই। আমি তাঁর পরিবারের সমস্ত সদস্য স্ত্রী ও সন্তানদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ভগবান তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য শক্তি দিক’।

আরও পড়ুন:কোভিড যুদ্ধে পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক হচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণ সিসোদিয়া হিন্দি প্রত্রিকা দৈনিক ভাস্করের প্রাক্তন সাংবাদিক ছিলেন। তিনি উত্তর-পূর্ব দিল্লির ভাজনপুরায় থাকতেন। হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলাকালীন গাফিলতি অভিযোগ তুলে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কাছে একটি রিপোর্ট দিয়েছিলেন তিনি। তার একটি প্রতিলিপি হাসপাতালেও জমা দিতেও বলা হয়েছিল। এরপরেই তাঁকে হাসপাতালে ICU বিভাগে স্থানান্তরিত করা হয়।
সাংবাদিক সিসোদিয়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে এইমস জয়প্রকাশ নারায়ণ ট্রমা সেন্টারে ভর্তি হন গত ২৪ জুন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। তাঁকে ICU থেকে সরিয়ে জেনারেল ওয়ার্ডে স্থানান্তর করারও কথা ছিল। তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তরুণের পরিবারের সঙ্গে হাসপাতাল থেকে সব রিপোর্ট জানানো হয়েছিল।

কিন্তু সোমবার দুপুরে তরুণ আচমকা ICU থেকে বেরিয়ে ছুটতে থাকেন। অ্যাটেনডেন্টরা তাকে পাকরাও করার তার পিছনে ধাওয়া করে। এরপরেই কিছু বুঝে ওঠার আগেই চার তলার জানলার কাঁচ ভেঙে ওপর থেকে লাফিয়ে নীচে পড়েন তরুণ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ফের ICU তে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:দেশে করোনা আক্রান্ত ৭ লক্ষ ছাড়ালো

এদিকে এইমস-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তরুণ সিসোদিয়া মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। মানুষকে বিভ্রান্ত করে দিতেন তিনি। আর সেই কারণে তাঁর মানসিকস্থিতির জন্য হাসপাতালে স্নায়ু ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের কাছে তার চিকিৎসা চলছিল। এমনকী কয়েকদিন আগে তরুণ হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন লেখেন, তিনি খুব ভয়তে আছে। কারণ তিনি যেকোনও সময়ে খুন হতে পারেন।

Related Articles

Back to top button
Close