fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ রুখতে ফ্রান্সে ফের জারি জরুরি অবস্থা

৯ শহরে কার্ফু জারি

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: লাগাতার নিম্নমুখী মৃত্যুর হার ও সংক্রমণে ভাটা ফরাসি জনগণের মনে কিছুটা করোনামুক্তির আশা জগিয়েছিল। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় ফের দেশজুড়ে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা জারি করল ফ্রান্স।

সূত্রে খবর, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, দেশের ৯টি শহরে রাত ন’টা থেকে ভোর ছ’টা পর্যন্ত কারফিউ জারি থাকবে। স্থানীয় সময় শনিবার থেকে চালু হবে এই নাইট কারফিউ, চলবে অন্তত ৪ সপ্তাহ। এই ৬টি শহর হল, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, গ্রেনোবাইল, লিলি, লিয়ঁ, আইক্স-মার্শেই, সেন্ট এটিনে, টিউলস, আইল-ডে-ফ্রান্স এবং মন্টপেলিয়ার। যদি কেউ এই কারফিউ ভঙ্গ করেন তবে তাঁকে ১৩৫ ইউরো জরিমানা দিতে হবে। করোনা নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, “দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। তবে পরিস্থিতির উপর আমরা নিয়ন্ত্রণ হারাইনি। আমরা উদ্বিগ্ন হলেও প্রথম দফার সংক্রমণ থেকে অনেকটাই শিক্ষা নিয়েছি। বিগত ৮ মাস ধরে এই মহামারী চলছে। এবার ফের সংক্রমণ বাড়ছে।”

চলতি বছরের মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ফ্রান্সে বেনজির তাণ্ডব চালিয়েছিল চিনের উহান থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। কঠোর লকডাউন ও বিধিনিষেধ জারি করে কোনওভাবে সেই তাণ্ডব ঠেকানো হয়েছিল। সংক্রমণ আর মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কমে আসতেই লকডাউন প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিধিনিষেধে শিথিলতা এনেছিল ফ্রান্স সরকার। তখনই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছিল, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে। কিন্তু সেই সতর্কবার্তায় কর্ণপাতই করেননি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হলেন সমাজবাদী পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মুলায়ম সিং যাদব

গত জুলাই মাস থেকে ইউরোপের দেশটিতে ফের ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে করোনার সংক্রমণ। লাফিয়ে-লাফিয়ে বাড়তে থাকে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। গত ১০ অক্টোবর একদিনে আক্রান্ত হন ২৭ হাজারের বেশি মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২২ হাজার ৫৯১ জন। মারা গিয়েছেন ১০৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা আট লক্ষ ছুঁইছুঁই করছে। আর করোনার বলি হয়েছেন ৩৩,০৩৭ জন।

উলেখ্য, ফ্রান্স নবম দেশ, যেখানে করোনায় মৃত্যু ৩৩,০০০ ছাড়াল।এ সপ্তাহের শুরুতে ফরাসি প্রধানমন্ত্রী জাঁ কাসটেক্স হুঁশিয়ারি দেন, দেশে হু হু করে ফিরে এসেছে করোনা, স্ট্রং সেকেন্ড ওয়েভ শুরু হয়েছে, ঢিলেমি করার কোনও উপায় নেই। আগামী ২ সপ্তাহে দরকারে আরও কড়াকড়ি শুরু হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close