fbpx
কলকাতাগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

৮ জুন থেকে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে যাবে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার প্রশাসনিক বৈঠকে লকডাউন সম্পর্কিত একাধিক সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলায় শিথিল হচ্ছে লকডাউনের নিয়মকানুন। এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। ধীরে ধীরে গণপরিবহণে ছন্দ ফেরাতে বাস পরিষেবায় আরও বেশি ছা়ড় দেওয়ার কথা জানালেন তিনি। পরিযায়ীরা ঘরে ফিরছে আমি খুব খুশি।  বাড়ানো হোক শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। তা হলে একই ট্রেনে গাদাগাদি হবে না। গাদাগাদি হলে সংক্রমণ বাড়বে। শ্রমিক এক্সপ্রেসের নামে করোনা এক্সপ্রেস চলছে। যাত্রীদের জন্য ট্রেনে জলের ব্যবস্থাও করা হয়নি।

সমস্ত সরকারি, বেসরকারি সংস্থার অফিস খোলায় সবুজ সংকেত মুখ্যমন্ত্রীর । শুক্রবার নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, আগামী ৮ জুন থেকে সমস্ত সরকারি, বেসরকারি অফিস খুলে যাবে । কাজ করা যাবে ১০০ শতাংশ কর্মী নিয়েই। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অফিস খুললেও মানতে হবে করোনা স্বাস্থ্যবিধি । বজায় রাখতে হবে দুই ব্যক্তির মধ্যে ৬ থেকে আট ফুটের সামাজিক দূরত্ব । একইসঙ্গে ব্যবস্থা রাখতে হবে স্যানিটাইজেশনেরও । একইসঙ্গে এদিনের বৈঠক থেকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এবার চা ও জুটমিলও পুরোপুরি ৮ জুন থেকেই খোলা হবে । সমস্ত কর্মীদের নিয়েই কাজ করা যাবে। এর পাশাপাশি পুরো জুন মাসটাই বন্ধ থাকবে স্কুল।

আগামী সোমবার, ১ জুন থেকে রাজ্যের সব মন্দির-মসজিদ-গির্জা-সহ সবরকম ধর্মীয় স্থান খুলে যাচ্ছে। তবে তাতে একসঙ্গে ১০ জনের বেশি উপস্থিত থাকবেন না বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে ধর্মস্থানে কোনও জমায়েতও করা যাবে না।’ পরিযায়ী শ্রমিকরা গাদাগাদি করে ট্রেনে ফিরছে, এই কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ট্রেনে গাদাগাদি করে যদি এত লোক আসতে পারে, তা হলে মন্দির, মসজিদ, গির্জা খুলতে কী অসুবিধা। বরং এই সঙ্কট থেকে মুক্তি পেতে মানুষ একটু প্রার্থনা করার সুযোগ পাবে। তাই কাল থেকেই মন্দির, মসজিদ খুলে যাবে।’ জোর দিতে হবে স্যানিটাইজেশনে। ধর্মীয় স্থানে ঢোকার আগে স্যানিটাইজেশন বাধ্যতামূলক করা হল।

আরও পড়ুন: কোয়ারেন্টাইন সেন্টার গড়ে তোলা নিয়ে বিক্ষোভ, পথ অবরোধ সিউড়িতে

একইসঙ্গে বেসরকারি বাসে যত আসন, ততজন যাত্রী তোলা যাবে বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। দাঁড়িয়ে যেতে কোনও যাত্রীকে অনুমতি দেওয়া হবে না। বেসরকারি বাসে ক্ষতি হচ্ছে বলে এই সিদ্ধান্ত। শু্ক্রবার প্রশাসনিক বৈঠকে লকডাউন সম্পর্কিত একাধিক সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। আগে মাত্র ২০ জন যাত্রীনিয়ে বাস চালানোর নির্দেস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে স্যানিটাইজেশনে জোর দেওয়া হবে। বাসের আসনে বসতে গেলে স্যানিটাইজ করে নেওয়া দরকার। মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস থাকা বাধ্যামূলক। একইসঙ্গে তাঁর আবেদন বাসের কনডাক্টরের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করবেন না।

 

 

Related Articles

Back to top button
Close