fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ, ক্যানিং মহা শ্মশানঘাটে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু

বাবলু প্রামানিক, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ক্যানিং মহা শ্মশানঘাটে বৈদ্যুতিক চুল্লি চালু। মঙ্গলবার দুপুরে ২১ জুলাই শহীদ দিবস স্মরণে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং-১ ব্লকের মাতলা ব্রীজ সংলগ্ন মাতলা নদীর চড়ে চালু হল বিদ্যুতিক চুল্লির মহা শ্মশাননঘাট। ফলে খুশির জোয়ার ক্যানিংবাসীর মধ্যে। দীর্ঘ দিনের স্বপ্নপূরণ হল ক্যানিংবাসীর। দীর্ঘ বছর ধরে ক্যানিংবাসীর দাবি ছিল বিদ্যুতিক চুল্লির। আর স্বপ্ন পূরণ হল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ও অনুপ্রেরণায়।

২০২০ সালের ৭ জানুয়ারি পাথর প্রতিমা ব্লক থেকে বৈতরণী প্রকল্পের বিদ্যুতিক চুল্লির ক্যানিং মহা শ্মশানঘাট উদ্বোধন করেন। কিন্তু করোনা ভাইরাস ও লকডাউনের কারণে নব নির্মিত বিদ্যুতিক চুল্লির ক্যানিং মহ শ্মশানঘাট চালু হয়নি।ফলে এদিন চালু হল ক্যানিং মহা শ্মশানঘাট। এদিকে এই মহা শশ্মানঘাটে স্থানী ভাবে থাকছে ২ জন ডোম, একজন রেজিস্ট্রার, ২ জন সুইপার, একজন অপারেটর।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ও অনুপ্রেরণায় বৈতরণী প্রকল্পে ২০১৭ সালে নভেম্বর মাসে এই বিদ্যুতিক চুল্লির ক্যানিং মহা শশ্মানঘাটের শিলান্যাস করেন। সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হল বিদ্যুতিক চুল্লির ক্যানিং মহা শ্মশানঘাটি। এদিন উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক শ্যামল মন্ডল, জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ শৈবাল লাহিড়ী, মহকুমা শাসক রবিপ্রকাশ মিনা, ক্যানিং-১ বিডিও নিলাদ্রি শেখর দে, পিডাব্লুডি ইঞ্জিনিয়ার প্রমূখ।

এদিন মহা শ্মশানঘাটে যারা কাজকর্ম করবে, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।বিধায়ক শ্যামল মন্ডল বলেন, ক্যানিং মহা শ্মশানঘাট চালু করা হল। শ্মশানঘাটে যারা কাজকর্ম করবে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ক্যানিং মহকুমা যে সমস্ত করোনা রোগীর মৃত্যু হচ্ছিল। তাদের দেহ কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ফলে খুবই অসুবিধা হচ্ছিল। তাই সরকারি ভাবে সিধান্ত হয় করোনা রোগীর দেহ আপাতত এই বিদ্যুতিক চুল্লির ক্যানিং মহা শ্মশানঘাটের দাহ করা হবে।

Related Articles

Back to top button
Close