fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

হামাস ও ইজরায়েলের সামরিক বাহিনীর হামলা-পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত গাজা উপত্যকা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: হামলা, পাল্টা হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গাজা সীমান্ত। সূত্রের খবর, রবিবার গাজা থেকে ইজরায়েলি ভূখণ্ডে বেলুনে করে আগুনের গোলা ও রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের কিছু যুবক। জবাবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা বিমান হামলা চালায় ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী।

এ প্রসঙ্গে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘সীমান্তে ফিলিস্তিনি গুটিকয়েক দাঙ্গাবাজেরা টায়ারে আগুন ধরিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। এ সময় তারা ইজরায়েলি নিরাপত্তা জাল লক্ষ্য করে গ্রেনেড এবং বিস্ফোরক ডিভাইস নিক্ষেপ করে।’ জানা যাচ্ছে, গত এক সপ্তাহ ধরে ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা উপত্যকায় হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে রাতে বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। কেননা, গাজা উপত্যকার ক্ষমতায় রয়েছে ফিলিস্তিনি ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

ইজরায়েলি সামরিক বাহিনী বলছে, গাজায় হামাসের একটি সামরিক ভবন ও ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো তাদের হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এর আগে ইজরায়েল জানায়, গাজা উপত্যকা থেকে অন্তত দু’টি রকেট ইজরায়েলে ছোড়া হয়েছে। তবে ইজরায়েলের আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধেয়ে আসা রকেট প্রতিরোধ করেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রকেট হামলার জবাবে আমাদের বিমান বাহিনী গাজায় হামাসের সন্ত্রাসী ঘাঁটি এবং একটি সামরিক ভবনে হামলা চালিয়েছে। যে ভবনটি হামাসের রকেট মজুদের কাজে ব্যবহৃত হয়।”

প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভে নতুন করে উত্তেজনা যুক্ত করেছে ইজরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শান্তি চুক্তি। গত বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ পারস্পরিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটি চুক্তিতে পৌঁছায়। তবে, ফিলিস্তিনিরা উপসাগরীয় অঞ্চলের দুই দেশের এই চুক্তিকে ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেছেন। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস ইসরায়েল-আমিরাতের চুক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল বলে হুঁশিয়ার দিয়ে বলেছেন, “এই চুক্তির কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলে যেকোনও ধরনের সংঘাত সৃষ্টি হলে তার দায় ইজরায়েল ও আমিরশাহিকে নিতে হবে।”

Related Articles

Back to top button
Close