fbpx
আন্তর্জাতিকগুরুত্বপূর্ণহেডলাইন

“I can’t breathe” এ উত্তাল বিশ্ব, সেই ফ্লয়েড ছিলেন কোভিড আক্রান্ত: জানুন

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি জর্জ ফ্লয়েড।‌ কিছুদিন আগেই মিনাসোটায় যার মৃত্যুতে উত্তাল হয়েছে গোটা আমেরিকা। সেই সঙ্গে পুলিশের বর্বরোচিত আচরণ ও কৃষ্ণাঙ্গ বিদ্বেষের মতো বর্ণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঢেউ আছে পড়েছে সারা বিশ্বে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর আগে শেষ শব্দ ‘আই কান্ট ব্রিদ’ স্লোগানেই প্রতিবাদে উন্মুখ হয়েছে আজকের পশ্চিমী সমাজ।

কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশিত খবরে জানা গিয়েছে যে মিনাসোটা বাসি বছর ছেচল্লিশের জর্জ ফ্লয়েড তিনি ছিলেন করোনা পজেটিভ এক ব্যক্তি। গত ৩ এপ্রিল এই আফ্রো-আমেরিকানের দেহে মেলে নোভেল কোন ভাইরাসের জীবাণু। গত বুধবার স্থানীয় হেনেপিন স্বাস্থ্য বিভাগের একটি ২০ পাতার রিপোর্টে এমন তথ্যই প্রকাশ পেয়েছে।

পরবর্তীকালে ফ্লয়েডের দেহের ময়নাতদন্তের সময় তার মাথা, কপাল, ঠোঁট, এবং হাতের একাধিক জায়গায় চোট আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন প্রধান স্বাস্থ্য পরীক্ষক অ্যান্ড্রু বেকার। এর থেকে বোঝা যায় জর্জ হাইপারটেনসিভ হৃদরোগে ভুগছিলেন। এছাড়াও তার দেহে একটি টিউমার ছিল। ঘটনাস্থলে কার্ডিও পালমোনারি অ্যারেস্ট বা হৃদরোগের কারণে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। শরীরে করোনার উপস্থিতি হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলও ব্যাহত হয়েছিল ফ্লয়েডের। ‌ যার ফলে তার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই ত্বরান্বিত হয়। অটোপসি রিপোর্টে প্রকাশিত হওয়ার পর সোমবার সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন চিফ ফরেনসিক প্যাথোলজিস্ট মাইকেল বিডেন ও আলিশিয়া উইলসন।

অন্যদিকে ঘটনার জেরে ২৯ মে অভিযুক্ত ওই তিন পুলিশ আধিকারিক ডেরেক চাওভিন, জে. আলেকজান্ডার এবং থমাস লেনের বিরুদ্ধে নির্মমভাবে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন মিনেসোটার অ্যাটর্নি জেনারেল কিথ এলিসন।

আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার মতো এই ঘটনায় যখন  প্রতিবাদে মুখোর হয়েছেন মার্কিন বাসিরা।‌ বিক্ষোভ আছড়ে পড়েছে হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণেও। ঠিক সেই সময় প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে সেনা নামানোর হুমকিও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যার ফলে বিশ্বের নানান মহল থেকে প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ডনকে।

Related Articles

Back to top button
Close