fbpx
কলকাতাহেডলাইন

‘ও দিদি নিয়ে যান কম করে দিচ্ছি’, কলকাতার শপিং স্পট গুলোতে হারিয়ে গেছে চেনা কথা

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: কদিন পরেই বাঙালিদের পয়লা বৈশাখ। এই সময়তেই আম‌ বাঙালির মনে চলতে থাকে শাড়ি, সালোয়ার, কুর্তি, প্যান্ট-শার্ট, বেডশিট কেনার প্রবল। ব্যবসাদারদের হালখাতাই যেন জানান দেয় বাংলা নববর্ষ হাজির। কিন্তু নববর্ষের নেই  কোনও আনন্দ। রয়েছে শুধুই বিষাদের সুর। করোনা গ্রাস করেছে বাঙালির প্রিয় উত্‍সবকে। নতুন জামা কেনার ধুম নেই আজ। তাই তো গড়িয়াহাট, হাতিবাগান, শ্যামবাজার, নিউ মার্কেট, কলকাতার এই শপিং হটস্পট গুলো।

এবার পরিস্থিতি একদম আলাদা। করোনা সংক্রমণ রুখতে চলছে লকডাউন। দিনে একবার সকালে কয়েক ঘণ্টার জন্য বাজার করেই ঘরে নিজেকে বন্দি করছেন সকলে। এসময়ে পায়ে হেঁটে শপিংয়েই অভ্যস্ত বাঙালি। এর জেরে নববর্ষের আগে একটু হলেও লাভের মুখ দেখত দোকানদার কিংবা হকাররা। কিন্তু করোনার গ্রাসে আজ ফুটপাথে নেই মানুষ, দেখা মেলেনি কোনও হকারেরও। ঘরবন্দি সেই সমস্ত হকার গুলোও, যারা ফুটপাথে দাঁড়িয়ে অনবরত চিৎকার করে বলতে থাকেন ছাড়! ছাড়! ছাড়! আর কানে ভেসে আসত সেই চেনা কথা,’ ও দিদি নিয়ে যান একটু কম করে দিচ্ছি, কিংবা, দামাদামি করবেন না যা নেবে সব একদাম’। আজ আতঙ্কের মাঝে হারিয়ে গেছে চেনা কথা গুলো।

আর পড়ুন: যুগশঙ্খ খবরের জেরে ২০ কুইন্টাল খাদ্য সামগ্রী পেল চা বাগান

শপিং’ প্রেমী মা-দিদি-বৌদিরা আজ প্রত্যেকেই গৃহবন্দী। বিক্রেতারাও কেউ বাড়ি থেকে বেড়তে পারছেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য সব লাটে উঠেছে। নিউমার্কেটে লকডাউনের প্রভাব সর্বত্র পরেছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ডাকা লকডাউন পুরোপুরি মানছে নিউমার্কেট চত্বরের ব্যবসায়ীরা। নিউমার্কেট চত্বরের জামাকাপড়, প্রসাধনীদ্রব্যের সমস্ত দোকানপাট বন্ধ। বন্ধ রয়েছে খাবারের দোকানগুলি। হাতিবাগান মোড়ের গড়িয়াহাট সব হকারের মাথায় হাত। ব্যবসা-বাণিজ্য সব লাটে উঠেছে। এতকিছুর জেরে আর্থিক মন্দাতেই কাটছে ব্যবসায়ীদের প্রাত্যহিক জীবন। এই আতঙ্ক কবে কাটবে জানা নেই কারোরই। প্রত্যেকেই তাকিয়ে আছে সরকারের দিকে। যেদিন লকডাউন সরবে। সেদিন ফের নিজের পুরোনো রূপে ফিরে আসবে।

Related Articles

Back to top button
Close