fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

লকডাউন উপেক্ষা করে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় প্রেমিকা!

দিব্যেন্দু রায়, ভাতার: বছর দুয়েকে আগে ফেসবুকে পরিচয়। তারপর থেকে ফোনে নিয়মিত প্রেমালাপ। ক্রমে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠতা। কিন্তু ইদানীং প্রেমিকাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেছিলেন প্রেমিক। তাই বদলে ফেলেছিল ফোন নম্বর। ফলে প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় প্রেমিকার। এদিকে প্রেমিকের এই অবহেলা মেনে নিতে পারেনি প্রেমিকা। শেষে লকডাউন ভেঙে মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর এলাকা থেকে এসে ভাতারের কালুত্তক গ্রামে প্রেমিকের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসল প্রেমিকা।

শনিবার সকালে সামিরুন খাতুন নামে স্বামী বিচ্ছিন্না ওই মহিলা তাঁর প্রেমিক তুহিন শেখের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। শেষে খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই মহিলাকে থানায় নিয়ে যায়। যদিও এদিন দুপুর পর্যন্ত এনিয়ে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি বলে জানা গেছে।

জানা গেছে,বছর আটেক আগে কলকাতায় বিয়ে হয়েছিল সামিরুন খাতুনের। তাঁর একটি ছয় বছরের মেয়ে আছে। কয়েক বছর ধরে স্বামী ও মেয়ের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। বহরমপুরে বাপের বাড়িতেই থাকেন ওই যুবতী।

সামিরুন জানিয়েছেন, বছর দুয়েক আগে ভাতারের কালুত্তক গ্রামের বাসিন্দা তুহিন শেখের সঙ্গে তাঁর ফেসবুকে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তারপর পরস্পরের ফোন নম্বর আদান প্রদান হয়। ক্রমে দেখা সাক্ষাৎ ও ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। তুহিন তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বলে দাবি সামিরুনের। তিনি বলেন, কিন্তু ইদানীং ও আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছিল। ঠিক কি অপরাধে তুহিন আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছে সেটা জানতেই লকডাউন ভেঙে আজ আমি আমার এক আত্মীয়কে নিয়ে ওর বাড়িতে এসেছি।’


জানা গেছে, এদিন সকালে তুহিনের বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা করতেই তার বাড়ির লোকজন সামিরুনকে বাধা দেয়। তখন তুহিনের বাড়ির পাশে খামারে ধর্না শুরু করে দেন সামিরুন।

এদিকে এই ঘটনার পর বেশ কিছু গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে যায়। খবর যায় ভাতার থানায়। শেষে পুলিশ এসে সামিরুন খাতুনকে বুঝিয়ে থানায় নিয়ে আসে। যদিও ঘটনার সময় তুহিন শেখ বাড়িতে না থাকায় এবিষয়ে তাঁর মতামত পাওয়া যায়নি। তবে তুহিন শেষের মা জয়বুন্নেসা বিবির দাবি, ‘ওই মেয়েটি আমার ছেলেকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে ।’

Related Articles

Back to top button
Close