fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

করোনা বিধি শিকেয়, তৃণমূলের অনুষ্ঠানে স্বল্প পোশাকে কিশোরীদের অশ্লীল নাচ মালদায়

মিল্টন পাল,মালদা: করোনা আবহে রাজ্য প্রশাসনের নির্দেশকে অমান্য করে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সৌজন্যে স্বল্প পোশাক পরিহিত কিশোরীদের অশ্লীল নাচ। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার কালিয়াচকের ৩নম্বর ব্লকের গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

গোলাপগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দূরে এমন ঘটনার পরও পুলিশ নিশ্চুপ।এই ধরনের ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠলো রাজনৈতিক মহলে। গোলাপগঞ্জ পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান সাবিনা ইয়াসমিন তার স্বামী জাইসুদ্দিনের নেতৃত্বে, এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

গোলাপগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের চকমাইল পুর গ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা সদস্য বকুল মিয়া প্রকাশ্য মঞ্চে উঠে মেয়েদের সাথে নাচ করছে ও টাকা বিতরণ করছে ধরা পড়েছে তেমন ছবিও। দুইদিন ধরে চলছে এমন অনুষ্ঠান।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ওই তৃণমূল নেতা এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া না দিলেও, একজন তৃণমূলের নেতা কিভাবে এ ধরনের কাজ করে দলের অন্দরেই উঠেছে প্রশ্ন। গোটা ঘটনা নিয়ে শাসকদলের সমালোচনায় নেমেছে বিজেপি। উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন,বাংলার কৃষ্টি-সংস্কৃতি স্বাধীনতা নষ্ট করেছে তৃণমূল নামক এই দলটা।

রাজ্য জুড়ে এরা অপসংস্কৃতি আমদানি করেছে।যেখানে এই মহামারিতে মানুষ খেতে পারছেনা টাকা নেই মানুষের কাছে। কত মানুষ কাজ হারিয়েছে। দ্বিতীয়তঃ যেখানে সামাজিক দূরত্ব মেনে সবকিছু পালন করতে হচ্ছে শারদ উৎসব থেকে দীপাবলি। সেই সময় লোকজন জমায়েত করে এ ধরনের আসর বসানো এবং কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা নর্তকীদের উদ্দেশ্যে ছোড়া। এত কাটমানি তুলেছে সেই টাকা গুলো তো কিছু করতে হবে এভাবে ফুর্তি করে ওরাচ্ছে ।

গোটা ঘটনা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব। তৃণমূলের মুখপাত্র শুভময় বস বলেন, এই ধরনের ঘটনা দল সমর্থন করে না। দলীয় ভাবে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন জেগেছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কিভাবে এত মানুষকে একত্রিত হয়।এধরনের আসর বসাতে দেয় পুলিশ। যদি পারমিশন না নিয়ে থাকে কেন আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এনিয়ে জেলার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া আর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Related Articles

Back to top button
Close