fbpx
আন্তর্জাতিকহেডলাইন

সম্পর্ক বাড়ানোর সন্ধানে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ইরানের বিদেশমন্ত্রীর

বাগদাদ,  (সংবাদ সংস্থা): দুই দেশের মধ্যে কোন কোন ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার করা যায় তারা তা পর্যালোচনা করতে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তাফা আল কাজেমির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের বিদেশ মন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ।
একইসঙ্গে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে ইরাকের বিদেশ মন্ত্রী ফুয়াদ হোসেনের সঙ্গেও বৈঠক করেন জারিফ। একইসঙ্গে, দুই দেশের বিদেশ মন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে জানান,”সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নিজেদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন তারা। এমনকি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশের মোকাবিলায় তারা সদাপ্রস্তুত থাকছেন।”
রবিবার সকালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ইরানের বিদেশ মন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ। এরপর তিনি ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান শহীদ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরাকি কমান্ডার আবু মাহদি আল মোহান্দেসসহ দুই দেশের ১০ সামরিক কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল  পরিদর্শন করেন। যেখানে, গত ৩ জানুয়ারি শুক্রবার ভোরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ড্রোন হামলা চালিয়ে ইরানের কুদস বাহিনীর কমান্ডার লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করা হয়। বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে মার্কিন ওই হামলায় সোলাইমানি ছাড়াও ইরাকের  গণবাহিনী ‘হাশদ আশ-শাবি’র উপপ্রধান মাহদি আল মুহান্দিসসহ আরো কয়েকজন সেনা-জওয়ানও শহীদ হন। সেসময় আমেরিকার এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।
এ নির্দেশের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা করার জন্যই সোলাইমানি ইরাকে প্রবেশ করেছিলেন। আর এ জন্যই তাকে আগেভাগে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।’ কিন্তু, ইরাকের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে তিনি জানান, “ইরানের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের জন্য বিশেষ বার্তা নিয়ে সোলাইমানি বাগদাদে এসেছিলেন এবং এটা ছিল কূটনৈতিক সফর।”
পাশাপাশি, রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক অ্যাগনেস ক্যালামার্ড জানান, “জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে।” কারণ হিসাবে তিনি তদন্ত প্রতিবেদনে জানান, “একটি দেশের উচ্চপদস্থ একজন কর্মকর্তাকে তৃতীয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশে হত্যা করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।”

Related Articles

Back to top button
Close