fbpx
দেশহেডলাইন

স্কুল খালির নির্দেশ… তাহলে কি যুদ্ধের ইঙ্গিত!

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গত ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় চিনের সেনাদের সঙ্গে ভারতীয় সেনাদের সংঘর্ষের পরেই ভুস্বর্গের চারিদিকে কেমন যেন যুদ্ধ-যুদ্ধ আবহ। চারিদিকে সেনাদের বুটের শব্দ। প্রতিদিন সীমান্তের দিকে ছুটে গাড়ির লাইন। আকাশে চরকি কাটছে যুদ্ধবিমান। আর তাতেই রাতের ঘুম উবেছে উপত্যকার সাধারণ মানুষের। কার্গিল যুদ্ধের পূর্ব মুহূর্তের স্মৃতি ভাসছে চোখের সামনে। অনেকেরই আশঙ্কা, ফের একবার যুদ্ধ বাঁধবে উত্তর সীমান্তে।

আবারও যুদ্ধের বাদ্যি বাজতে চলেছে? জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের দুই নির্দেশ ঘিরে রবিবার স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে তেমনই ধারণা বদ্ধমূল হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একদিকে যেমন রান্নার গ্যাসের (এলপিজি) ডিস্ট্রিবিউটরদের দু’মাসের জন্য পর্যাপ্ত সিলিন্ডার মজুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই কার্গিল সংলগ্ন গাণ্ডেরবালে ১৬টি স্কুল নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্য খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুই নির্দেশের পরেই প্রমাদ গুনতে শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: উত্তপ্ত উপত্যকা…সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হিজবুল কমান্ডার সহ ২

আচমকাই কেন এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরদের দু’মাসের রান্নার গ্যাস মজুতের নির্দেশ দেওয়া হলো, তা নিয়ে প্রশাসনের এক মুখপাত্র যে সাফাই দিয়েছেন, ওই আধিকারিকের ব্যাখ্যা, ‘ভূমিধ্বসের আশঙ্কার কারণেই আগাম গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’গ্যাস সিলিন্ডার মজুত নিয়ে ওই প্রশাসনিক আধিকারিকের যুক্তি যদিও বিশ্বাস করা হয়, তাহলেও গান্ডেরবালের পুলিশ সুপারের ১৬টি স্কুল খালি করার জরুরি নির্দেশের কারণ নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই। ওই নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘এলাকার ১৬টি স্কুল নিরাপত্তা কর্মীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। তাই অবিলম্বে যেন খালি করে দেওয়া হয় স্কুলগুলি।’ আচমকাই কেন নিরাপত্তা রক্ষীদের জন্য এত গুলি স্কুলের প্রয়োজন হয়ে উঠল?

 

Related Articles

Back to top button
Close