fbpx
দেশহেডলাইন

গুণ্ডা ও সমাজবিরোধীদের কঠোর হাতে দমন করতে কড়া আইন আনছে গুজরাটের সরকার

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: গুন্ডামি তথা সমাজবিরোধী কার্যকলাপ রুখতে বেনজির পদক্ষেপ গুজরাট সরকারের। গুণ্ডা ও সমাজবিরোধীদের কঠোর হাতে দমন করতে বুধবার নতুন বিল পাশ হল গুজরাত বিধানসভায়। গুন্ডা দমনে পুলিশের হাতে আরও বেশি ক্ষমতা দিতে আনা হচ্ছে নতুন আইন। যাতে নতুন করে গুন্ডামির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, নতুন শাস্তির বিধানও দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নতুন করে শাস্তিযোগ্য অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে একাধিক কার্যকলাপকে। যার মধ্যে রয়েছে ‘লাভ জিহাদ’ও। ইতিমধ্যেই গুজরাট বিধানসভায় এই নতুন গুন্ডামি এবং সমাজ বিরোধী কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। রাজ্যপাল সই করলেই সেরাজ্যে এই বিলটি আইনে পরিণত হবে।

নতুন এই গুন্ডামি এবং সমাজবিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ বিলে পুলিশের হাতে আরও বেশি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আগে গুজরাটে গুন্ডামির অভিযোগে কেউ গ্রেপ্তার হলে, তাঁকে হেফাজতে রাখা যেত ১৫ দিন। এবার সেটা বেড়ে হচ্ছে ৩০ দিন। অর্থাত্‍ আদালতে পেশ করার পর অসামাজিক কাজের অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এখন ৩০ দিনের জন্য হেফাজতে চাইতে পারবে পুলিশ। শুধু তাই নয়, আগে এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে পুলিশকে চার্জশিট পেশ করতে হত ৬০ দিনে। এখন তারা চার্জশিট পেশের জন্য সময় পাবে ৯০ দিন। সেই সঙ্গে এই ধরনের অপরাধে জড়িতদের শাস্তির পরিমাণও বেড়ে হচ্ছে ৭ থেকে ১০ বছর। জরিমানা করা হতে পারে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এই নতুন আইনে গুন্ডার নতুন সংজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাড়ির সামনেই পরপর গুলি করে খুন করা হল বিজেপি নেতাকে

বলা হয়েছে, গুন্ডা এমন একজন ব্যক্তি যে নিজের ক্ষমতাবলে সমাজের ক্ষতি করে। সেটা এককভাবেই হোক বা দলগতভাবেই হোক। যারা জনজীবনের শান্তি নষ্ট করে এবং অপরাধমূলক কাজ করে তাঁরা সবাই সমাজ বিরোধী। মজার কথা হল, এই অপরাধের তালিকায় শামিল করা হয়েছে লাভ জিহাদকেও। বলা হয়েছে, লাভ জিহাদের মাধ্যমে মহিলাদের শোষণও এই গুন্ডা আইনের অন্তর্গত হবে। অর্থাৎ লাভ জিহাদও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে।

গতকাল বিলটি বিধানসভায় পেশ হওয়ার পর তাতে তীব্র আপত্তি জানাই কংগ্রেস। তাঁদের ধারণা, এই বিলের অপব্যবহার করে ইচ্ছামতো যে কাউকে গ্রেপ্তার করে দিনের পর দিন হেফাজতে রাখতে পারে পুলিশ। লাভ জিহাদকে এই আইনে শামিল করা নিয়েও আপত্তি আছে কংগ্রেসের। যদিও প্রকাশ্যে সেকথা তাঁরা বলছে না। গুজরাতের বিরোধী দলনেতা পরেশ ধানানি বলছেন,”অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য অপরাধ দমনের আইন আগে থেকেই ছিল। এটার কোনও দরকার ছিল না। সরকার নিজের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই নয়া আইন প্রণয়ন করেছে।”

 

 

Related Articles

Back to top button
Close