fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

‘পাঁচতারা হোটেলে বসে ভোটে লড়া যায় না’, ফের বিস্ফোরক ‘বিদ্রোহী’ নেতা আজাদ

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: ফের দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বর্ষীয়ান নেতা গুলাম নবি আজাদ। তিনি বলেন, ‘পাঁচতারা হোটেলে বসে নির্বাচন লড়া যায় না। আমাদের নেতারা জনতার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।’

এক সাক্ষাৎকারে আজাদের অভিযোগ, ‘আমাদের নেতাদের নিয়ে মুশকিল হল, দলের টিকিট পেলে প্রথমেই পাঁচতারা হোটেল বুক করেন। সেখানেও আবার বিলাসবহুল জায়গা না পেলে হয় না। এর পর তাঁরা বাতানুকূল গাড়ি নিয়ে ঘোরাফেরা করেন। পিচমোড়া রাস্তা ছাড়া কোথাও যান না।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই কংগ্রেস সভাপতি বা রাহুল গান্ধীকে দোষ দিচ্ছেন। ব্লক ও জেলা স্তরের নেতারা মানুষের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলেছেন। কেউ দলে কোনও পদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের লেটার প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে নিয়ে ভাবছেন কাজ করে ফেলেছেন। কিন্তু এখনই তো কাজ শুরু করার কথা।’

প্রসঙ্গত, গত অগস্ট মাসে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যদের মোট ২৩ জন শীর্ষ স্থানীয় নেতা কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে নেতৃত্ব ও ওয়ার্কিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত পরিবর্তনের আবেদন জানান। চিঠিতে কংগ্রেসকে ফের শক্তিশালী করে তুলতে সর্বক্ষণের ও সক্রিয় নেতৃত্বের প্রয়োজনের কথা বলা হয়। সেই চিঠিতে গুলাম নবি আজাদ ছাড়াও সই করেন আনন্দ শর্মা, কপিল সিবাল, মণীশ তেওয়ারি, শশীথারুর, ভূপিন্দর সিং হুডা, পৃথ্বীরাজ চবন, পি জে কুরিয়েন, রেণুকা চৌধুরী ও মিলিন্দ দেও রার মতো পোড়খাওয়া নেতারা।

সেই চিঠিকে ‘দুঃখজনক ও নিষ্ঠুর’ বলেন কংগ্রেস নেতা এ কে অ্যান্টনি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও অ্যান্টনি বলেন, দলের সভাপতি হিসেবে সনিয়া গান্ধীই বহাল থাকুন। ‘শোকাতুর’ রাহুল গান্ধী তাঁর ভাষণে বলেন, মধ্য প্রদেশ ও রাজস্থানে যে সময়ে দল সংকটের মুখে তখন এই চিঠি পেয়ে তিনি ‘ব্যথিত’ হয়েছেন। এমনকি চিঠিতে সই করা কংগ্রেস নেতাদের তিনি বিজেপি-র সঙ্গে আঁতাত রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন।

রাহুলের অভিযোগের পালটা হিসেবে আজাদ বলেন, বিজেপি-র সঙ্গে যোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তিনি পদত্যাগ করবেন। অন্যদিকে কপিল সিবাল বলেন, ‘গত ৩০ বছরে চিঠিতে সই করা কংগ্রেস নেতারা একবারও বিজেপি-র সমর্থনে কোনও মন্তব্য করেননি।’

 

Related Articles

Back to top button
Close