fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

কোয়ারেন্টাইনে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত সাঁইথিয়া

সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাঁইথিয়া : বীরভুম জেলার আমোদপুরে জলধর দে বিএড কলেজে কোয়ারেন্টাইনে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর   হামলা ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে কলেজ কর্তৃপক্ষ বেজায় ক্ষুব্ধ।

 

 

গত ১৮ই মে সাঁইথিয়ার বিডিও কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আমোদপুরের বাইরে এই কলেজটিকে কোয়ারেন্টিন সেন্টার হিসাবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে ৩৭ জনকে কলেজে রাখা হয়। কিন্তু গোলমাল শুরু হয় যখন মুর্শিদাবাদ জেলার ৪৫ জনকে নিয়ে আসা হয় কলেজে। তারা ভাল খাবার পাচ্ছে না বলে থালা বাজাতে শুরু করে। পরে ছাদের দরজা ভেঙে ছাদে গিয়ে এসি মেশিনের আউটডোর ইউনিটগুলো ভাঙতে শুরু করে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে আমোদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অসিতবরন দে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাকে যখন প্রশাসনের তরফে যোগাযোগ করে কলেজকে কোয়ারেন্টাইনে সেন্টার হিসাবে নেবার কথা বলা হয়, আমি করোনা রোগের ভয়াবহতার কথা ভেবে এবং সমাজের উপকারে কলেজের অবদান থাকবে ভেবে সঙ্গে সঙ্গে রাজী হয়ে যাই। কিন্তু এই মুহু্র্তে আবাসিকরা কলেজের কয়েক লক্ষ টাকার সম্পত্তি নষ্ট করে দেওয়ায় আমাদের দিশাহারা অবস্হা। তারা যে কলেজের এমন অবস্হা করতে পারে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি।আবাসিকরা কলেজের ভেতরে ফিজিক্স, কেমিষ্ট্রি ল্যাবরেটরির তালা ভেঙে সমস্ত দামী জিনিষপত্র ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে।

 

 

সাঁইথিয়ার বিডিও, জয়েন্ট বিডিও, পুলিশ প্রসাশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদেরকে এ বিষয়ে অবগত করেও কোন লাভ হয়নি। নিরুপায় হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কে পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করার জন্য চিঠি দিয়েছেন বলে জানালেন অসিতবাবু। ক্ষুব্ধ অসিতবাবু আমোদপুরের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির সাথে সমাধানের রাস্তা খুঁজতে অফিসে দেখা করেছিলেন। কিন্তু কোন ফল হয়নি। এমতাবস্হায় অসিতবাবু তাঁর মনের মতো করে গড়ে তোলা কলেজের এই হাল দেখে মানসিকভাবে ভীষন ভেঙে পড়েছেন।

Related Articles

Back to top button
Close