fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

বন্ধ স্কুল, চিন্তায় হরিপাল তারকেশ্বরের অভিভাবকরা

পার্থ সামন্ত, তারকেশ্বর: করোনার শিকার দেশ তথা রাজ্য। বন্ধ স্কুল, কলেজ, বাজার, দোকান, সব কিছুই। ১০ ই জুন পর্যন্ত স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বেসরকারি স্কুলের বাচ্চাদের পঠন পাঠন চলছে মোবাইলের দৌলতে। কিন্তু সরকারি স্কুলের বাচ্চারা পড়েছে মহা সমস্যায়। স্মার্টফোন, টিভিতে পড়াশোনার সুযোগ থাকলেও অনেক বাড়িতে নেই স্মার্টফোন টিভি।

তারকেশ্বরের অনিতা সেনাপতি জানালেন ছেলে ক্লাস ওয়ানে পড়ে। পাড়ারই মাকড়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। ছেলের নাম পার্থ সেনাপতি। অনিতা সেনাপতি বলেন বাড়িতে আমরা পড়াতে পারিনা। লকডাউন তো মেনে চলতেই হবে। তবে লকডাউন ওঠার পর যদি এক্সট্রা ক্লাস হয় তাহলে ভালো। না হলে পরীক্ষার আগে বইয়ের পড়া শেষ হবে না।

আরও পড়ুন: করোনার বিরুদ্ধে নার্সদের লড়াইকে সম্মান জানাতে  ১২ মে নার্স দিবসে গোলাপ দেওয়া হোক 

হরিপালের মৌসুমী সাঁতরা বললেন ক্লাস টেন-এ উঠেছে ছেলে। বাড়ির কাছাকাছি বাসুদেবপুর বিদ্যানিকেতনে পড়ে ছেলে অংশু সাঁতরা। মৌসুমী সাঁতরা বলেন বেশ চিন্তায় আছি স্কুল প্রাইভেট টিউশন সবই বন্ধ। তিনি বললেন শুনেছি টিভি তে এখন পড়াশোনা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের টিভি নেই যে টিভি দেখে ছেলে পড়বে। সিলেবাস কি ভাবে শেষ হবে জানিনা বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অংশু অবশ্য পাশ থেকে বলে দিল উপায়। অংশু বলল এ বছর আমাদের সব সাবজেক্টের সিলেবাস কমিয়ে দেওয়া দরকার।

হরিপাল চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবব্রত ঘোষের সাথে কথা হলো। তিনি বর্তমানে তারকেশ্বর চক্রের দায়িত্বে ও আছেন। তিনি জানান সরকার টিভিতে ও বাংলা শিক্ষা পোর্টালের মাধ্যমে পড়াশোনার ব্যবস্থা করেছে। লকডাউন মানতে হবে। দেবব্রত বাবু বলেন লকডাউনের পর স্কুল খুললে পিছিয়ে পড়া বাচ্চাদের জন্য এক্সট্রা ক্লাসের পরিকল্পনা আছে। মে মাসে যখন মিড ডে মিলের চাল আলু দেওযা হবে। ঐ সময় অভিভাবকদের মাধ্যমে ওয়ার্ক সিট ছাত্রদের দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কিছু স্যাম্পেল প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া যায় কিনা সে ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানান।

Related Articles

Back to top button
Close