fbpx
গুরুত্বপূর্ণদেশহেডলাইন

মন্দিরের মূল অংশ ভেঙে মসজিদ! শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মামলার শুনানি শুরু আজ থেকে

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কাশী ও মথুরা ইস্যু। মথুরা আদালতে একটি সিভিল মামলা দায়ের করেছে হিন্দু সংগঠন। ওই আবেদনে ১৩.৩৭ একর কৃষ্ণ জন্মভূমির মালিকানা চাওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি।  শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির ১৩.৩৭ একর জমির মালিকানা চেয়ে আদালতে গিয়েছিল শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান। সেই মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে বুধবার থেকে।

শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমানের দাবি ছিল এই যে, হিন্দু দেবোত্তর সম্পত্তি চিরকাল দেবোত্তর থাকে। আক্রমণকারীদের হাত থেকে ওই সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য উঠেপড়ে লাগে শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান। সম্পত্তি পুনুরুদ্ধার করতে শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান
মথুরার জেলা দেওয়ানি আদালতে গিয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি জমি বিতর্ক মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে বুধবার। শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির ১৩.৩৭ একর জমির মালিকানা চেয়ে আদালতে গিয়েছিল শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান।

শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমানের পক্ষ থেকে তাঁদের আইনজীবী বিষ্ণু জৈন জানান যে, শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমির ওই মন্দির চত্বরেই ১৬৭০ সালে মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব একটি মসজিদ তৈরি করেছিলেন। অভিযোগ মন্দির চত্বরের জমি থেকে সেই মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। সেই জমি পুনুরুদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে শ্রীকৃষ্ণ বিরাজমান।  উল্লেখ্য, মথুরার কাটরা কেশবদেব মন্দির চত্বরের ১৩.৩৭ একর জমি নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়।

[আরও পড়ুন- বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় রায় পড়া শুরু করলেন বিচারক]

জানা গিয়েছে যে, ১৯৬৮ সালে আদালতের রায়ের পরে শ্রীকৃষ্ণ জন্মস্থান সেবা সংস্থান ও শাহি ইদগাহ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মধ্যে জমি সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী ওই জমিতেই মন্দির ও মসজিদের সহাবস্থান স্বীকৃতি পাওয়া যায়।

মঙ্গলবারই জানা গিয়েছিল যে, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি করেছিলেন। জানা গিয়েছিল যে, ১৬৬৯ সালে ঔরঙ্গজেব এই মন্দির আক্রমন করেন। মন্দির আক্রমণ করার পর ভাঙচুর চালান তিনি। মূল মন্দিরের স্থানে মসজিদ বানানো হয় বলে অভিযোগ। ঔরঙ্গজেব ভারতে হিন্দু ধর্মকে বিলুপ্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। তাই তিনি হিন্দুদের এই পবিত্র এই কাশী মন্দিরের মূল অংশ ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। মন্দির ভাঙার বহু বছর পর আবার হিন্দুরা মূল মন্দিরের পাশে বিশ্বনাথ মন্দির নির্মাণ করেন। জানা গিয়েছে যে, ১৯৩৬ সালে ওয়াক বোর্ড নতুন মন্দিরের এলাকাকে নিজেদের বলে দাবি করেছিল। যদিও সেই দাবি মিথ্যা প্রমানিত হয়। সেই আদেশপত্র কলকাতা এশিয়াটিক লাইব্রেরীতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

 

Related Articles

Back to top button
Close