fbpx
কলকাতাহেডলাইন

উত্তপ্ত দমদম, স্কুলে জারি ফি বৃদ্ধির নোটিস, প্রতিবাদে বিক্ষোভ-অবরোধ অভিভাবকদের

যুগশঙ্খ ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তপ্ত দমদমের সেন্ট মেরিজ স্কুল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারংবার বেসরকারি স্কুলগুলিকে আবেদন জানিয়ে আসছেন এই লকডাউনের সময়ে যেন পড়ুয়াদের বেতন বৃদ্ধি না করা হয়। একই আবেদন জানাচ্ছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। তবুও বেশ কিছু বেসরকারি স্কুল সেই অনুরোধ না রেখেই পড়ুয়াদের বেতন বৃদ্ধির পথে হেঁটা দিয়েছে। সেই রকম ঘটনার জেরেই এদিন তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল দমদম সেন্ট মেরি স্কুলে। অভিভাবকদের বিক্ষোভ, রাস্তা অবরোধ আর পুলিশি সক্রিয়তায় উত্তেজনা ছড়ালো এলাকায়। স্কুল কর্তৃপক্ষ স্কুলের গেট খুলতে রাজি না হওয়ায় এদিন পুলিশকে বাধ্য হতে হয় লাথি মেরে স্কুলের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকতে। সেখানেই এখন প্রিন্সিপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন অভিভাবকেরা।

অভিভাবকরা জানিয়েছেন, লকডাউন চলাকালীন স্কুলের অনলাইন পেমেন্টের লিঙ্ক বন্ধ ছিল তাই তাঁরা ফি জমা দিতে পারেননি অথচ এই কারণে লেট ফাইন নেওয়া হচ্ছে। ২০০ টাকা করে জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। তাছাড়া এখন স্কুল বন্ধ থাকা সত্ত্বেও টিউশন ফি, ইলেকট্রিক বিল, স্কুলের ক্লিনিং চার্জ পর্যন্ত ধার্য করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, ২২ মার্চ থেকে এখনও পর্যন্ত স্কুল খোলেনি। ছাত্রছাত্রীরা ক্লাসও করেনি অথচ ক্লাস চলছে বলে স্কুলের সমস্ত বাড়তি খরচ চড়াহারে ছাত্রছাত্রীদের থেকে আদায় করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নাখোদা মসজিদের কাছে বহুতলে অগ্নিকাণ্ড, দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমদম থানার পুলিশ। অভিভাবকদের আবেদনে সাড়া দিয়ে ঘটনাস্থলে যান তৃণমূল নেতা তথা দক্ষিণ দমদম পুরসভার বিদায়ী পুর পারিষদ প্রবীর পাল। তিনি বলেন, ‘অভিভাবক ও স্কুল কর্তৃপক্ষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ আলোচনার জায়গা তৈরি করতে আমি এসেছি কিন্তু উত্তেজনা থাকায় কোনও পক্ষই সেই জায়গায় পৌঁছতে পারেনি। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি চেষ্টা করছি এই সমস্যার সমাধান করতে।’

ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে দমদম স্টেশন রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন অভিভাবকরা। প্রিন্সিপালকেও দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমদম থানার পুলিশ। অবরোধ হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্থ বচসাও হয় তাঁদের। এরপর পুলিশের সঙ্গে স্কুলের ভিতরে ঢোকেন বেশ কয়েকজন অভিভাবক। তবে পুলিশের সামনেই প্রিন্সিপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন অভিভাবকরা। পরে অবশ্য আলোচনায় বসার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। আগামী ২৫ জুন বর্ধিত ফি নিয়ে আলোচনায় বসবে বলেই জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

 

Related Articles

Back to top button
Close