fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

টানা বৃষ্টিতে ধস নেমে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাজ্য সড়কে, যান চলাচল ব্যহত

মিল্টন পাল, মালদা: টানা বৃষ্টিতে ধস নেমে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রাজ্য সড়কে। ঘটনায় রাজ্য সড়কে যান চলাচল বন্ধ। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার মালদার হবিবপুর থানার বেগুনবাড়ি এলাকায়। সমস্যায় পড়েছে নিত্যযাত্রীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বিডিও ও পূর্ত দফতরের আধিকারিকের এসে রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করেছে।পূর্ত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিবৃষ্টির ফলে এই ধস।

অতি বৃষ্টির জেরে জেলার নদীগুলিতে বিপদ সীমার অপর দিয়ে বয়েছে। সেই মত ওই এলাকার টাঙন ও পূর্ণভবা নদীর একই অবস্থা। নদীর জল খাড়ির মাধ্যমে বিভিন্ন জমি বা খালে গিয়ে পরছে। সেই মত মালদা নালাগোলা রাজ্য সরকের বেগুনবাড়ি এলাকায় কার্লভাট রয়েছে। টানা বৃষ্টির কারনে ওই কার্লভাট দিয়ে জল যাওয়ার কারনে নীচের মাটি ধসে যায়। আর যার ফলে রাজ্য সড়কে ধস দেখা দিয়েছে। রবিবার সকালে ধসের কারনে কার্লভাট সংলগ্ন সড়কের বেশ কিছুটা ধসে যায়। আর এই মালদা নালাগোলা রাজ্য সড়ক।মালদা জেলার পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকা থেকে এই রাজ্য সড়ক শুরু হয়। হবিবপুর বামনগোলা হয়ে দক্ষিণ দিনাজপুর তপন, ডিটোল, গঙ্গারামপুর পর্যন্ত এই সড়ক বিস্তৃত ।এখানে ধ্বস নেমে যাওয়ায় কার্যত মুল মালদা শহরের সাথে এই এলাকাগুলির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।ফলে বাস অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। যানজটের সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে জানা হবিবপুর ব্লকের বিডিও শুভজিৎ জানা। ওই এলাকার বাসিন্দা প্রদীপ পান্ডে বলেন,এই রাজ্য সড়কটি অতি গুরুত্বপুর্ণ রাস্তাটি হবিবপুর, বামনগোলা, পাকুয়া,নালাগোলার গ্রামের বাসিন্দাদের। এই কার্লভাটটি বহু পুরনো। দীর্ঘদিন থেকে রাস্তা ও কার্লভাট গুলি বেহাল অবস্থায় পরে রয়েছে। প্রশাসনকে জানিও কোন কাজ হচ্ছে না। প্রশাসনের উদাশীনতার কারনেই এই ঘটনাটি ঘটেছে। সম্প্রতি প্রবল বৃষ্টি চলছে। সেই বৃষ্টির করনে ধসে গিয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে। অন্য কোন ষময় ঘটলে বহুলোকের প্রানহানী হত।

আরও পড়ুন: বাসন্তীতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ, গোলাগুলিতে জখম ২ কর্মী

বর্তমানে ধসের বলে মানুষ প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। করোনা আবহে সবচেয়ে অসুবিধা পরেছে রোগী ও রোগীর আত্মীয়রা। আমরা চাই এখানে পুলিশ মোতায়েন করা হোক। আর কার্লভাটের যা পরিস্থিতি তাতে নতুন কার্লভাট তৈরী হোক। না হলে বড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন,সময় মত যদি কাজ না হয় তাহলে এই হাল হয়। শাসক দলের নেতা থেকে আধিকারিকেরা কাটমানি খেতে ব্যস্ত। মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে রাজ্যে সরকার। আমরা চাই দ্রুত কার্লভাটগুলি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

জেলা তৃণমূলের কোওডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, প্রকৃতিক দূর্যোগের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে। সাংসদ এটা নিয়ে নোংরা রাজনীতি করছে। আমাদের পূর্ত দপ্তরের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেছে। হবিবপুর বিডিও শুভজিৎ জানা বলেন, অতিবৃষ্টির ফলে এই ধস। দ্রুত রাস্তা সারাইয়ের কাজ করা হচ্ছে।যে গাড়িগুলো আটকে রয়েছে সেগুলিকে অন্য পথ দিয়ে তাদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button
Close