fbpx
কলকাতাশিক্ষা-কর্মজীবনহেডলাইন

হাই কোর্টের নির্দেশে চাকরি থেকে বরখাস্ত পরেশ কন্যা অঙ্কিতা, দুই কিস্তিতে ফেরত দিতে হবে বেতনের পুরো টাকা

যুগশঙ্খ, ওয়েবডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় একের পর এক ঘটনায় উত্তাল রাজনীতি। নাম জড়াচ্ছে তাবড় তাবড় নেতার। দেড়দিনের লুকোচুরি খেলে গতকাল কোচবিহার থেকে কলকাতায় ফেরেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। গতকাল তাকে তিনঘন্টা জেরা করে সিবিআই। আজ ফের জেরার মুখে পড়েন তিনি।

এই সবের মধ্যেই চাকরি থেকে বরখাস্ত হলেন পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা। অঙ্কিতাকে বরখাস্তের নোটিশ ধরাল হাই কোর্ট। আদালতে নির্দেশ অনুসারে দু কিস্তিতে বেতনের সমস্ত টাকা ফেরত দিতে অঙ্কিতাকে। হাই কোর্টের রেজিস্টারের সেই টাকা জমা দেবেন তিনি। প্রথম কিস্তি দিতে ৭ জুনের মধ্যে। ২০১৮ সাল থেকে কোচবিহারের একটি স্কুলের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষিকা অঙ্কিতা। সেই স্কুল থেকেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে। হাই কোর্টের নির্দেশ ছাড়া অঙ্কিতা স্কুল চত্বরে ঢুকতে পারবেন না। এমনকী তার কোনও প্রতিনিধিও ওই স্কুলে যেতে পারবেন না। নিজেকে আর শিক্ষিকা বলে পরিচয় দিতে পারবেন না অঙ্কিতা।

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারী প্রভাব খাটিয়ে মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীকে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বাবার প্রভাব খাটিয়ে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল অঙ্কিতার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছিলেন ববিতা অধিকারী নামের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী।

২০১৭ সালের নভেম্বরে এসএসসি পরীক্ষার দ্বিতীয় মেধাতালিকায় নাম উঠেছিল অঙ্কিতার। এই পরীক্ষার প্রথম মেধা তালিকার প্রথম ২০ জনের মধ্যে অঙ্কিতার নাম না থাকায় দ্বিতীয় মেধা তালিকার একেবারে প্রথমেই নাম ওঠে অঙ্কিতার। কিন্তু পুরোটাই বেআইনিভাবে। এই মেধা তালিকার ২০ নম্বরে যে পরীক্ষার্থীর নাম ছিল সেই ববিতা অধিকারীর থেকেই ১৬ নম্বর কম পেয়েছিলেন অঙ্কিতা। ববিতার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৭৭ আর অঙ্কিতার প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬১। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর বাবা প্রভাব খাটিয়ে মেয়ের নাম দ্বিতীয় মেধা তালিকার প্রথমে নিয়ে আসে। আর যোগ্য প্রার্থী হয়েও চাকরির সুযোগ হারাতে হয় ববিতা।

Related Articles

Back to top button
Close