fbpx
পশ্চিমবঙ্গহেডলাইন

সীমান্তে উত্তেজনার পর উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর

বিজয় চন্দ্র বর্মন, মেখলিগঞ্জ: বৃহস্পতিবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশন  চেকপোস্ট  দিয়ে  এক মানসিক ভারসাম্যহীন বাংলাদেশি যুবক  ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করে। ঘটনায়  চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। বৈঠকটি চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের বুড়ি মারিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে।

ঘন্টা খানেক চলা ওই বৈঠকে বৃহস্পতিবারের ঘটনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ নিয়ে যাতে আর দুই দেশের সেনার মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি না হয় সে নিয়ে উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর  কর্তারা সম্মতি জানান। পাশাপাশি সীমান্তে এধরনের কোনও বিষয় এলে তারা নিজেরাই নিয়ন্ত্রিত  করবেন বলে ঠিক হয়।  বৃহস্পতিবার দিন সীমান্তে বাংলাদেশের নাগরিকরা কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ানদের লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ঢিল ছোঁড়ার বিষয়টি  বৈঠকে উত্থাপন করা হয় বিএসএফের তরফে।

এদিনের বৈঠকে উপস্থিত  ছিলেন বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের রংপুর সেক্টরের ডিআইজি আলিমুল করিম চৌধুরী, বিজিবির ৬১ নং ব্যাটেলিয়নের কোমান্ডেন্ট হক, বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি মহেন্দ্র সিং সারন, বিএসএফের ১৪৮ নং ব্যাটেলিয়নের সি ও বি শাহু প্রমুখ। এদিনের বৈঠক নিয়ে বিএসএফের উত্তরবঙ্গের

ডিআইজি (জি) আর আর শর্মা জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার মানসিক ভারসাম্যহীন এক ব্যক্তি চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট  দিয়ে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করলে এবং বিষয়টি  বিএসএফের নজরে আসলে বিএসএফ তাতে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে বিজিবি র কর্তাদের অবগত করা হলেও তারা তা গুরুত্ব দেননি।

উলটে বাংলাদেশিরা ভারতীয় সেনা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুঁড়ে ও ভারতের দিকে এগিয়ে আসে। এতেই আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ পিএজি গান থেকে দুই রাউন্ড গুলি চালায়। এ নিয়ে সীমান্তে উত্তেজনা ছড়ায়।পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে বিএসএফের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার দিন সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Related Articles

Back to top button
Close