fbpx
গুরুত্বপূর্ণব্লগহেডলাইন

পশ্চিমবঙ্গ গঠনের ইতিহাস ও ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়

অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়: মুসলিম লীগের নেতা মহম্মদ আলি জিন্নাহ ১৯৪৬ এর ১৬ অগাস্ট শুক্রবার পাকিস্তানের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’ (‘Direct Action Day’) হিসাবে পালন করার কথা বলেন। অবিভক্ত বঙ্গে তখন ছিল সুহরাওয়ার্দি-র নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগের প্রাদেশিক সরকার। পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় রেখে ১৬ অগাস্ট কলকাতায় মুসলিম লীগের গুন্ডারা হিন্দুদের ওপর এক ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হামলা নামিয়ে আনে। কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যাকে করা হয়, হাজার হাজার হিন্দু নারী ধর্ষিতা হন এবং হিন্দুদের সম্পত্তি লুণ্ঠন করা হয়।

১৭ অগাস্ট হিন্দুরা মুসলিম হামলা সাফল্যের সঙ্গে প্রতিহত করে। ১৮ তারিখ বাঙ্গালীর নেতৃত্বে শিখ ও বিহারীরা কলকাতার মুসলিম মহল্লাগুলোতে এক বীভৎস প্রতিহিংসা নামিয়ে আনে এবং প্রথম দিনের ক্ষতি সুদে-আসলে পুষিয়ে নেয়। কলকাতা দাঙ্গার প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয় নোয়াখালিতে। বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলা নিয়ে মেঘনার বাম তীরে অবস্থিত ছিল ব্রিটিশ আমলের নোয়াখালি জেলা। তদানীন্তন পূর্ববঙ্গের এই জেলাতে হিন্দুরা ছিল মোট জনসংখ্যার মাত্র ১৮%।

১৯৪৬-এর ১০ই অক্টোবর কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর দিন উৎসবমুখর হিন্দু বাড়িগুলিতে এক ভয়ংকর বিভীষিকা নামিয়ে আনা হয়। গণহত্যা, লুঠ, গৃহে অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, ব্যাপকহারে নারী ধর্ষণ, মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে আটক করে রাখা এবং বলপূর্বক ধর্মান্তরণ ছিল এর প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রাক্তন বিধায়ক মৌলানা গোলাম সারওয়ার ছিলেন এই গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড। প্রায় দশহাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয় নোয়াখালিতে। এর থেকেও বেশি মানুষকে জোর করে ধর্মান্তরিত করা হয় এবং গোমাংস খেতে বাধ্য করা হয়। গোটা জেলায় এমন কোনও বাড়ি ছিল না যার অন্তত একজন মহিলা ধর্ষিতা বা অপহৃতা হননি।

কলকাতার দাঙ্গা ও নোয়াখালির গণহত্যার অভিজ্ঞতা থেকে কলকাতার বাস্তববুদ্ধিসম্পন্ন রাজনীতিবিদ ও শুভবুদ্ধিযুক্ত বুদ্ধিজীবীরা বুঝতে পারেন যে, হিন্দুরা শত চেষ্টা করলেও মুসলিমদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান অসম্ভব- বিশেষত যেখানে মুসলিমরাই দুই বঙ্গ মিলিয়ে সংখ্যাগুরু। মুসলিম লীগ নেতৃত্ব প্রথমে কলকাতাসহ সমগ্র বাংলাকেই পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিল। কংগ্রেসী নেতৃত্বও এই বিষয়ে কিছু মনঃস্থির করতে পারছিলেন না। কিন্তু পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তিকরণের বিরুদ্ধে বাঙ্গালী হিন্দু জনমত প্রবল থাকায় মুসলিম লীগ নেতৃত্ব অন্য চাল দেয়।

সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করা অসম্ভব বুঝে মুসলিম লীগ নেতা কট্টর ধর্মান্ধ সুহরাওয়ার্দি হঠাৎ বাঙ্গালী-র ভেক ধারণ করলেন। তিনি বললেন- দুই বাংলা নিয়ে অখণ্ড বঙ্গ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হোক- যা কিনা ভারত-পাকিস্তান কোনও পক্ষেই যোগদান করবে না। কিন্তু অখণ্ড বাংলাতেও বাঙ্গালি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হত। জিন্নাহও এই প্রস্তাবে সম্মতি জ্ঞাপন করলেন। এ থেকে অনুমান করা যেতে পারে হয়ত এই অখণ্ড বঙ্গ পরবর্তীকালে পাকিস্তানে যোগদান করত। যাই হোক, সুহরাওয়ার্দির পাতা ফাঁদে পা দিলেন কংগ্রেসের দুই বর্ষীয়ান নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণ শঙ্কর রায়। কয়েক মাস আগে ঘটে যাওয়া কলকাতা দাঙ্গা ও নোয়াখালি গণহত্যায় সুহরাওয়ার্দির ভূমিকার কথা তাঁরা ভুলে গেলেন।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় যে মুহূর্তে বুঝতে পারলেন যে, বাঙ্গালি হিন্দু জাতটির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হচ্ছে বাংলাকে ভাগ করা, সেই সময় থেকেই তিনি তাঁর সমস্ত শক্তি নিয়োজিত করলেন বাঙ্গালি হিন্দুদের বিষয়টি বুঝিয়ে জনমত তৈরি করার জন্য।

১৯৪৭-এর ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি হিন্দু মহাসভার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেন এবং তিনি প্রচণ্ড বেগে সারা বাংলা চষে বেড়াতে লাগলেন এবং বড় বড় জনসভায় ভাষণ দিয়ে মানুষকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে লাগলেন। তিনি কংগ্রেসের কাছে আবেদন রাখলেন যে, তারাও যেন এই দাবিকে সমর্থন জানায়। ১৯৪৭-এর ১৫ই মার্চ কলকাতায় হিন্দু মহাসভা একটি দু’দিন ব্যাপী আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে লর্ড সিনহা, রমেশচন্দ্র মজুমদার, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, ভবতোষ ঘটক, ঈশ্বরদাস জালান, হেমেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ হিন্দু মহাসভার সঙ্গে সম্পর্কশূন্য বহু মানুষও উপস্থিত হন। এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গৃহীত হল যে বাংলা প্রদেশের হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিকে নিয়ে একটি আলাদা প্রদেশ গঠন করতে হবে। এই সভায় একটি কমিটিও গঠিত হল যাদের কাজ হবে একটি স্মারকলিপি প্রস্তুত করা যা সরকারের কাছে পেশ করা হবে।

সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত ‘শনিবারের চিঠি’-র ১৩৫৩ বঙ্গাব্দের পৌষ সংখ্যায় লেখা হয় – ‘‘সম্প্রতি বাংলার কয়েকজন নেতা, পশ্চিমবঙ্গ নামে স্বতন্ত্র প্রদেশ গঠন করে এই সমস্যার সমাধানে প্রয়াসী- কারণ বাংলার লীগ শাসনাধীনে, বাঙ্গালী হিন্দুর ধন, প্রাণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্ম, নারীর মর্যাদা বিপর্যস্ত। সম্মেলন স্বতন্ত্র পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ গঠনের দাবী জানাইতেছে। ডঃ শ্যামাপ্রসাদ, মেজর জেনারেল এ সি চ্যাটার্জি, ডঃ প্রমথনাথ বাঁড়ুজ্জে প্রমুখ ব্যক্তি এই আন্দোলনের কার্যকরী সমিতির সদস্য, সুতরাং চেষ্টার ত্রুটি হইবে না।’’
বাংলা ভাগ করা উচিত কিনা এই প্রসঙ্গে ‘অমৃতবাজার পত্রিকা’১৯৪৭-এর ২৩-এ মার্চ থেকে ১৫ই এপ্রিল পর্যন্ত একটি জনমত সমীক্ষা করে। ফলাফল ঘোষিত হয় ২৩-এ এপ্রিল। এতে মোট ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ২৪৯টি উত্তর আসে। এর মধ্যে ১.১% উত্তর বাতিল হয়। বাকি উত্তরের মধ্যে ৯৮.৩% বাংলা ভাগের পক্ষে ও ০.৬% বিপক্ষে মত দেন। উত্তরদাতাদের মধ্যে মাত্র ০.৪% ছিল মুসলমান। অর্থাৎ, এ সময়ে বাঙ্গালী হিন্দুরা প্রায় সকলেই বাংলা ভাগের পক্ষে ছিলেন তা বোঝা যায়।

১৯৪৭-এর ২৩-এ এপ্রিল শ্যামাপ্রসাদ বড়লাট লর্ড মাউন্টব্যাটেনের সঙ্গে একটি বৈঠকে তাঁকে বুঝিয়ে বলেন কেন বাংলা ভাগ করা দরকার। এই পরিকল্পনা বোঝানোর জন্য তিনি প্রচুর দলিল-দস্তাবেজ এবং মানচিত্র তৈরি করেছিলেন এবং এইগুলি বড়লাটের আপ্তসহায়ক লর্ড ইসমে-র কাছে দিয়ে আসেন। ১৯৪৭-এর মে মাসে হিন্দু মহাসভা ও কংগ্রেস একত্রে জনসভা ডাকে যার সভাপতি ছিলেন বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ও কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য স্যর যদুনাথ সরকার। ১৯৪৭-এর ২ মে শ্যামাপ্রসাদ মাউন্টব্যাটেনকে একটি দীর্ঘ পত্র লেখেন। এই তথ্যনির্ভর পত্রে তিনি বাংলাভাগের পক্ষে যুক্তিজাল বিস্তার করেন। এই চিঠিতে বাংলা ভাগের দাবী করে শ্যামাপ্রসাদ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় লেখেন যে, ‘‘Sovereign undivided Bengal will be a virtual Pakistan.’’

কলকাতার ব্রিটিশ মালিকানাধীন দৈনিক ‘The Statesman’ ১৯৪৭-এর ২৪-এ এপ্রিল ‘‘Twilight of Bengal’’ শিরোনামে একটি সংবাদে লেখে, গত ১০ সপ্তাহের মধ্যে বাংলা ভাগ করার আন্দোলন একটি ছোট মেঘপুঞ্জের আকার থেকে একটি বিশাল ঝড়ের আকার নিয়েছে এবং এই ঝড় পুরো প্রদেশ জুড়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যদিও এর কেন্দ্রভূমি হচ্ছে কলকাতা। এই ঝড় আরম্ভ করেছিল হিন্দু মহাসভা।

ইতিমধ্যে শরৎ বসু ও আবুল হাশিম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার একটি খসড়া সংবিধান তৈরি করেন। বর্ধমানের মানুষ এই আবুল হাশিম ছিলেন বাংলা মুসলিম লীগের সেক্রেটারি- যিনি কলকাতা দাঙ্গার আগে খুব স্পষ্ট ভাষায় হিন্দু খুন করতে উস্কানি দিয়েছিলেন। এই খসড়া সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী সব সময়েই হবেন একজন মুসলিম এবং সংবিধান প্রণয়নের জন্য যে সমিতি থাকবে তাতে ৩০ জনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি (১৬ জন) হবেন মুসলমান। অর্থাৎ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলায় হিন্দুদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক করে রাখার একটি পাকাপোক্ত বন্দোবস্ত করে রাখা হয়।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এইসময় চেষ্টা করছিলেন সুহরাওয়ার্দি-বসু-হাশিম ত্রয়ীর এই ভয়ংকর পরিকল্পনাকে বানচাল করতে। ১৯৪৭ সালের মে মাসের প্রথম দিকে গান্ধী ও নেহরু-কে তিনি বাংলা ভাগের পক্ষে বললে তাঁরা খুব একটা নির্দিষ্ট করে কিছু জানান নি। ১৯৪৭-এর ১৩ই মে শ্যামাপ্রসাদ সোদপুরে গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন এবং সুহরাওয়ার্দির যুক্তবঙ্গের পরিকল্পনা সম্পর্কে তাঁর মতামত জানতে চান।

গান্ধী বলেন, তিনি এখনও মনঃস্থির করে উঠতে পারেন নি। শ্যামাপ্রসাদ যখন গান্ধীকে জিজ্ঞাসা করেন তিনি বাংলা ছাড়া ভারতবর্ষকে কল্পনা করতে পারেন কি না? স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে গান্ধী এর কোন উত্তর দেন নি। কিন্তু বল্লভভাই প্যাটেল খুব দৃঢ়ভাবে শ্যামাপ্রসাদকে চিঠিতে জানান জানান যে, শ্যামাপ্রসাদের দুঃশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই, তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখতে পারেন। বাংলার হিন্দুরা যতদিন নিজেদের স্বার্থ বুঝছে এবং সেই অবস্থান থেকে না সরছে ততদিন ভয়ের কোন কারণ নেই। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার ডাক মুসলিম লীগের পাতা একটি ফাঁদ ছাড়া আর কিছুই নয় এবং বাংলাকে কখনই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

হিন্দু মহাসভা বাংলা ভাগের দাবি নিয়ে সোচ্চার হতেই কংগ্রেসিরা দেখল তাদের ভোটার যারা- সেই হিন্দুরা (বাংলার মুসলিমরা প্রায় সকলেই মুসলিম লীগের সমর্থক ছিল) তাদের নপুংসকতায় ক্ষুব্ধ হয়ে হিন্দু মহাসভার পতাকাতলে সমবেত হচ্ছে। তখনই বাংলার কংগ্রেস দল নড়েচড়ে ওঠে। তারাও তখন সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা কেন্দ্রীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের মতামতের তোয়াক্কা না করে হিন্দু মহাসভার প্রস্তাবানুসারেই বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ ও মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের জন্য দুটো আলাদা মন্ত্রীসভা গঠনের দাবি তোলে ১৯৪৭-এর ৪ঠা এপ্রিল। বাংলার আঞ্চলিক কংগ্রেস নেতৃত্ব শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও অন্যান্য মনীষীদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাঙ্গালি হিন্দুর স্বার্থরক্ষায় ব্রতী হয়।

পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্য পূরণের জন্য ৭৬টি বড় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৫৯টির আয়োজন করে বাংলার কংগ্রেস কমিটি, ১২টির আয়োজন করেছিল হিন্দু মহাসভা এবং পাঁচটি যৌথভাবে আয়োজিত হয়। এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে ১৯৪৭-এর ২০-এ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের পশ্চিম অংশের সদস্যরা বাংলার দ্বিখণ্ডীকরণ করে বাঙ্গালী হিন্দুর হোমল্যান্ড বা পশ্চিমবঙ্গের প্রস্তাব ৫৮-২১ ভোটে পাশ করান। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এই কীর্তি (পশ্চিমবঙ্গ গঠনে) তাঁর জীবনীকার তথাগত রায়ের মতে তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠতম কীর্তি।

নেহরু একবার শ্যামাপ্রসাদকে বলেছিলেন যে, ‘আপনিও তো দেশভাগ সমর্থন করেছিলেন’। উত্তরে শ্যামাপ্রসাদ বলেন, ‘‘আপনারা ভারত ভাগ করেছেন, আর আমি পাকিস্তান ভাগ করেছি’। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপাল ফণিভূষণ চক্রবর্তী লিখেছেন যে, শ্যামাপ্রসাদ তাঁর সমস্ত ক্ষমতা দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার প্রস্তাব প্রতিরোধ করতে সমর্থ হলেন এবং দেশভাগের ভিতর আরেকটা দেশভাগ করিয়ে দিলেন।

(মতামত ব্যক্তিগত)

Related Articles

Back to top button
Close